রাজনিতিক কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনিতিক কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৩ মে, ২০২১

শতখুন মাফ

 

খুড়ো!

গতরাত্তির থেকে গুণ্ডারাজ!

কান চেপে আর হয় কি রক্ষে

মাথায় যখন পড়ছে বাজ!

 

সুবোধ বালক, আধা-ন্যাকা, কচি-ঘাসফুল-

এক রাত্তিরে মাতাল হয়েছে, দু’হাতে উঁচিয়ে শূল,

বাবা! গণতন্ত্রের পেছনে দিয়েছে গুঁজে,

ঠারেঠোরে নাও বুঝে!

 

সোজা যদি বলি নারাজ হচ্ছে বাবু-সব,

আমি তুমি কে হে! মূর্খ, ছাগল, বেয়াদব-

ডেমোক্রেসির তোমরা কি জানো-

দেখে নাও দিই ডেমো,

তারপর বাছা থেমো!

 

সাদা শাড়ী পড়া দুজ্ঞা ঠাকুর,

কত কাতিক-গনেশ আছে তাঁর!

আমরা তো দাদা, ভেড়া-গরু-গাধা,

নতুবা শ্রাদ্ধের ছাড়া ষাঁড়!

 

খোঁড়া পায়ে কত জোর আছে

সেটা গতরাত্তির থেকে সাফ,

খুঁড়িয়ে চলছে বঙ্গজননী-

তাতে গোটা কয় খুন মাফ!

 

 

 

মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১

সব্বাই টের পেয়ে গেছে

 

ধর্মটি আফিম বলে ছুঁই না দাদা!

তবে মাইরি, গাঁজা আমি রোজ খাই,

শালুর মত রাঙা চক্ষু হয়ে, ঢুলুঢুলু, লেনিনীয় ছিলিমে পুরে

সস্তা বিপ্লব, বুক ভরে অগস্ত্যের মত গিলে নিই

কয়েক দমে, নিত্য, হরদম!

 

দাদা, ধাঁধায় পড়েছি বড়, ভোটের গরমি এলো,

তাতে চৈত্রমাস, ফুরফুরা বাতাস, উরি(ব্বাস), জোটে গাঁট বেঁধেও

দেখি গায়ে ফোস্কা পড়ে!

প্রোলেতারিয়েতের দল প্রেতের মত আসে রামের ধ্বজাতলে,

কাস্তে দিয়ে জোড়াফুল কাটতে যাই, অমনি হাতুড়ি নড়ে

নিজেরই মাথার ওপর, নিজেরই কর্মফলে;

তবু যতই নীরেট হোক না কেন, মাথা তো নিজেরই

তাই দাদা রয়ে সয়ে থাকি,

আর কাকে কি যে বলি, কার যে কি বোঝার বাকী,

খোদা মালুম!

 

রক্কে করো মার্ক্সেশ্বর,

আস্ত স্তালিন গোটা-দশ ভোদকা বোতলে ভরে আধা-রুশ,

সেঁজে যাব, ভারতাত্মার নিত্য শ্রাদ্ধ সেরে দিলখুশ

যতই হই না আর, সব্বাই টের পেয়ে গেছে!


মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ছিলিমের বিপ্লব

আরও বৈপ্লবিক গাঁজার চাষে ধানের ক্ষেত মাড়িয়ে দেবার সাধ
গুড়েবালি, কপালে ব্যালট সিল, মহাশয় এত অসাম্য গরমিল-
ভাঙব বলেই আমরা কলকে ও কলম এক করে নিলাম।
ফলাফল- এক পাখি হাজার ঢিল, একটাও অব্যর্থ নয়!

যারা বোঝে না কবিতা ও সবজিওয়ালার হাঁকে সুরের কি ফারাক,
তাদের আজ সুসময়- লেকচার দিয়ে ভাগারে মরার!

মহাশয়, ছিলিমটা কৈ?
কবিতাটি ১০৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:১০/১১/২০১৭, ১৩:০০ মি:

রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

তফাৎ শুধু

"তুমিও মানুষ আমিও মানুষ তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়।"
এই কথাটা লিখতে যদি আঁতেলবাজীর গুণ ছাড়াই,
লিখতে যদি সবার তরে, লবি ছেড়ে রাজনীতির
তবে সালাম তোমায় নওল কবি, এই বাংলা সংস্কৃতির-
জাত বাঁচতো, এ জাত কারো জাত মেপে কি পা বাড়ায়?
পিঠ বাঁচানো কথা যাদের, তবে তারাই বাঁচুক শিরদাঁড়ায়!

বলছিলাম কি,

তুমিও মানুষ আমিও মানুষ তফাৎ শুধু এক কথায়-
মানুষ হয়ে কাঁদতে পারি সব মানুষের সব ব্যথায়?
কবিতাটি ৫৭৪ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৩/০৫/২০১৭, ১৯:০৬ মি:

মমতাকাব্য

কাঁদিয়া কহেন দিদি-

'মোদীরে হটাও, আদভানি আসে যদি
তবে বিজেপির সাথে গাঁটরা বাঁধতে
আমার পোবলেম হবে কিসে?
ভারতবর্ষ ডুবতে বসেছে মোদীর চালিত ইসে-
কি যেন কি বলে ডিমনি-ফিমনি কি টাইজেশন,
নোট বাতিলের ফন্দী!
আমার ছেলেরা দুটো টাকা খেল-
অমনি করেছে বন্দী!
ইয়ার্কি নাকি? মগের মুলুক? স্বৈরাচারীতা ভীষণ!
কোথায় গেলে হে রাজ বিদূষক আমার কবীর সুমন?
দু'চার লাইনের গান বেঁধে দাও, সাম্যবাদের গান,
বেশী করে লিখো বাংলার বুকে মমতার অবদান
সে কি শান্তিতে কোন নোবেল-টোবেল পাবার মত কি নয়?
তুমি তো বলেছ দুর্গার মত দিদির পূজাও চলবে রাজ্যময়
সে কি সস্তা দরের গাঁজার ছিলিম টেনে?
ভাবলাম তুমি জ্যোতিষী হয়েছ
আঁতেল হবার গুণে!

সিবিআই দেখো ছেলেধরা হল গুমর কচ্চে ফাঁস
ভাঙচুর কিছু চালিয়েছি বটে, চালাব আরেক মাস!
তবে কাজের কাজতো হচ্ছে না কিছু
মোদী ব্যাটা বড় গোঁয়ার,
কি করে যে একে ল্যাঙ মারা যায়
শালা আস্ত একটা শুয়ার!

শঢ়ি,
পাব্লিক প্লেসে গালাগাল দেয়া হয়েছে স্বভাবদোষ
স্বভাবটা আর যাচ্ছে না ছাই, পুষে রেখে আক্রোশ
হার্টের ব্যামো বাড়াতে চাইনে তাই মুখে যা-তা আমি বলি,
ওসবে বিশেষ যায় আসে না তো, বাঙালির গালাগালি-
যুগ যুগ ধরে সংস্কৃতিরই অঙ্গ!
গালাগালিটাই বীর বাঙালির
রস-রসিকতা-রঙ্গ!

আদভানি বাবু, রাজনাথ সিং বিজেপির হাল ধরো
মোদীকে তোমরা সরাও জলদি, আমাকে রক্ষা করো!'

_______________________________

দিদি বলেছেন- বিজেপির ক্ষমতায়ণে তার আপত্তি নেই। কিন্তু মোদীকে দিয়ে চলবে না। আদভানি বা রাজনাথ সিং আসুক তার আপত্তি নেই! বামেরা বলছে তিনি গুপ্ত আঁতাত চালাচ্ছেন! "কত রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়, ও ভাইরে!'' ৬/১/১৭

তীরে ফেরা

  অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...