আগমনী গান। লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আগমনী গান। লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০২২

ঐ আসিল মা হেমবরণী

 

ঐ আসিল মা হেমবরণী হেরম্বে লয়ে কোলে 

জগজনে হেরি জগদম্বে জগদুখ যত ভোলে। 

পেয়ে ভবরাণী ভূধর-ভবন

গিরিরাণী আজি সুখ-নিমগন, 

উঠিল মাতিয়া গগন পবন সুধারাশি কলরোলে। 

ঐ আসিল মা হেমবরণী হেরম্বে লয়ে কোলে।।


৩-১০-২২

অষ্টমী 









শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

কৈ লো শৈলজায়া

 

কৈ লো শৈলজায়া দুঃখরাতি পোহাইল,

মোছো মা নয়নজল, মহামায়া ঘরে এলো। 

আলো করি দশদিশি, হের হাসে উমাশশী,

মৃগেন্দ্রবাহনা হেরি নগেন্দ্র দুয়ার খোলো! 

সুরাসুরমুনিগণে যাহারে না পায় ধ্যানে

তাহারে পেয়েছ মা, এ ভাবিয়া দুখ ভোলো।

চিন্তিয়া বিশাখ ভনে, এ আনন্দ আয়োজনে

এ দীন পতিত জনে, মা’র কিগো মনে র’ল! 


এই বছর মাইকের হল্লায় একটি স্বরচিত আগমনী পেশ করতে পারলাম না গেয়ে। এই গানটা এই মাত্র লিখলাম। ইচ্ছে রইল সামনের পূজায় গাইবার। 


৩০/১০/২০২২

পঞ্চমী।


বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

আমিও জননী

 

উঠ হে নগাধিরাজ উমারে আনিতে আজ, ওগো কৈলাস-সদন।

হের, পঞ্চমী সমাগত, প্রাণে দি’ প্রবোধ কত, আনো চন্দ্র-বদন-

ত্বরা, না দেখিয়া প্রাণ-তারা, বরষভরে পাষাণঘরে, বড় শূন্য লাগে।

লোকমুখে কত শুনি, শিবসনে অভাগিনী শ্মশানবাসিনী, ভস্ম-রাগে-

কনকঅঙ্গ ঢাকি হয়েছে নাকি দারিদ্র্যে কাতর! গিরি চল হে সত্ত্বর।

কি সুখে রয়েছে এথা, তনয়া তরে নাহি ব্যথা, ও হে অচল ভূধর!

পিতা তুমি, প্রস্তর-অন্তর তব, আমি মাতা, কি বা কব, প্রাণনাথ-

রমণীর দুখ, নাহিক’ বুঝিতে পারো, যাও দ্রুত, শিব-অগ্রে দু’হাত-

পাতিয়া কহ, 'দেহ উমাধনে শূলপাণি, জামাতা জানি তোমা বটে;

ত্রিলোকবন্দ্য হও, দয়ার-বারিধি তুমি, সুরাসুরাদিজনে সর্বত্র রটে। 

দেহ গৌরী ত্রিপুরারি ত্রিদিবস লাগি, পথ চাহি জাগ্রত মর্ত্য-ভুবন,

দশমী প্রভাত হলে, যথারীতি এসো চলে, তিলমাত্র অন্যথা-বচন-

নাহি হবে কহিল গিরিরাণী। জামাতা হয়েছ, জানো আমিও জননী’! 



সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০

গিরির প্রবোধ

 


 

কেঁদো না কেঁদো না রাণী, উমা আমার কোথা যায়?

মুদিলে দু নয়নে হেরো, অন্তরে যে দেখা পায়!

সায়ুধবাহনা তারা, নিত্যা, চৈতন্যধারা,

গুণত্রয়ে সালংকারা, প্রেমডোরে ধরে কায়!

অথচ সে নির্গুণা, প্রপঞ্চে বিরাজমানা,

লীলারূপে কন্যা হল, পুণ্য কত ভাব তা’য়!

বলি গো মেনকারাণী, দুয়ারে যে শূলপাণি,

দাঁড়ায়ে রয়েছে দেখি, ডাক গো আমার উমায়!

 

 

 

 

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০

আগমনী - তুই তো মা যেচে গেলি

তুই তো মা যেচে গেলি দিগম্বর-ঘরে!

কানাকানি করে লোকে, কারা মা দেখেছে তোকে,

বড় দুঃখে আছিস নাকি- মহেশ সংসারে!  

 

অতসী-অনঘ-অঙ্গে, ছাই মেখে কি বা রঙ্গে,

তুইও সে পাষাণ সঙ্গে- শ্মশানে করিস বাস!

আছে ক’টি ছেলে মেয়ে, আধপেট খেয়ে খেয়ে,

ক্ষীনকায়ে ‘মা, মা’ বলে, কেঁদে কেটে মরে!

 

মায়েরে পড়ে না মনে, দি দোষে মা, কি কারণে-

এতটা নির্দয়া হলি, উমা আমাদের পরে?

কিসের গরব এত, জানি তো বৈভব কত,

ভৈরব-ভৈরবী হয়ে- ফের চরাচরে!

 

এবারে আশিন এলে, আমিও থাকব ভুলে,

রব’না দরজা খুলে, আর তোর পথপানে চেয়ে।

বোঝালিরে মহামায়া, সংসার অনিত্য মায়া,

তবু মায়ামুখ না দেখে মা, চোখে জল ঝরে!

 

 

শাক্ত-পদাবলীর ‘আগমনী’ পড়তে পড়তে মনে হল, আমিও বা লিখি না কেন। তাই একটা লিখেই ফেললাম। দেখি সুর দিয়ে কখন গাইতে পারি।

 

২/৭/২০২০।

 

 

 

 

 


কত কাল?

  কত কাল আর এতটা অন্ধকারে এত সব অশ্রাব্য চিৎকারে চারপাশ বদ্ধ করে নির্বিবাদে থাকি? কত রাত দয়ানিধি অলক্ষ্যে সুর বাঁধি পড়ে আছি অচঞ্চল স্বকৃ...