ছড়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছড়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১

গোসাপের কর্ম

 

শেষ রাত্তি ডিসেম্বরে

রসরাজে মনে করে,

কুক্কুট এনেছি ঘরে,

রেঁধে খাব মনে আশ।

গৃহ মম নদীতীরে,

ঘন বন আছে ঘিরে,

তারই মাঝে করে প্রভু

ক’খানা গোসাপ বাস!

 

প্রভাতে আলস্য ত্যাজি,

রসরাজ নাম ভজি,

গিয়াছি হরিতে হরি-

কুক্কুটের প্রাণধন!

দেখি ধর-মুণ্ড নাহি তার,

অর্ধদেহ- কদাকার,

গোসাপে গিলেছে তারে

বুঝে গেছি বিলক্ষণ!

 

না জানি কি পাপফলে,

ক্ষরিত রসনাজলে,

দিতে নারি বৎসরান্তে,

দু’বিন্দু কুক্কুট-ঝোল!

বল প্রভু রসরাজ,

কি বিধান হয় আজ,

কি শাপে গোসাপে করে

শুভকর্মে গণ্ডগোল?

 

______________________

 

ঘডোনা সইত্য

 

 

 


সোমবার, ১৭ মে, ২০২১

ট্যাংরা মাছের ঠ্যাং



ট্যাং ট্যাং ট্যাং ট্যাংরা মাছের ঠ্যাং!
ঘাসফড়িং এর পিত্তি খেয়ে উল্টে আছে ব্যাঙ!
ঘুমের মাঝে দেখছি কি ভাই মস্ত একটা গরু!
পা’গুলো তার ডাইনোসরের, লেজটা ভীষণ সরু!
শিং বাগিয়ে মারতে এলো, দিলাম কষে ল্যাং!
ট্যাং ট্যাং ট্যাং ট্যাংরা মাছের ঠ্যাং!

মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০

সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স

ফালতু কথায় চোখ জ্বলে ভাই,
করেই দিলাম আনফলো!
সোশ্যাল ডিস্টেন্স হোক এভাবে,
অটুট থাকুক হাই-হ্যালো!

দশের দোষী নন্দ-ঘোষের,
নিন্দা তুমি খুব কর,
আমি কি আর বুঝব এতো?
জ্ঞানে-গুণে নই বড়!

তোমার আবার শ্যেণ-দৃষ্টি,
আমি শনির দয়ায় দিনকানা!
তুমি বিদ্যাবলে ঘোরকর্মা,
আমি অলস অচল কারখানা!

তোমার সাথে রইবে তফাৎ
উভয়পক্ষে সেই ভাল,
সোশ্যাল ডিস্টেন্স হোক এভাবে,
অটুট থাকুক হাই-হ্যালো!

শনিবার, ৬ জুন, ২০২০

শিষ্যের প্রতি

মণ্ডলাযার্য্যের কবিতার প্রতিফলন-

 

গিন্নী তোমার পাকা ধানে মই,

 

যেমন ছিলে বেশ তো ছিলে,

ভদ্দো ঘরের ভদ্দো ছেলে,

দিনদুপুরে ঘুরতে কত

রোদ্দুরে টইটই!

 

এখন খোঁয়াড়খানায় ফেরার তাড়া,

নম্র করে খিড়কি নাড়া,

ত্রস্ত ভীষণ বুকের ভেতর-

ডাঙায় ওঠা কৈ!

 

তবু তোমার মন্দ কপাল,

খুন্তি নেড়ে সকাল বিকাল

দিচ্ছে গালি ইচ্ছে মতন-

কোন প্রাণে তা সই?

 

আমি তোমার গুরু বটে,

বুদ্ধি তোমার নেই যে ঘটে,

কত করে না করেছি-

দুখের কথা কই!

 

শুনলে না তো একটি কথা,

হাড়িকাঠে গুঁজেই মাথা

ছাদনাতলায় ছাগল সেজে

করলে কি হইচই!

 


বুধবার, ৩ জুন, ২০২০

করলা ব্যাপারী



মুরগীর ঝোলে সেদ্ধ করলা
যদি তুমি খাও দিনে এক বেলা
রবে না করোনা, রবে না রবে না
যমের অরুচি হবে ষোলআনা-
পথ্য এনেছে বৈদ্য,
উহান নগরে সেরে গেছে রোগ,
খেয়ে করলার সনে মদ্য! 

এখানে কি আর বলা যাবে ভাই,
প্রকাশ্যে হেঁকে মদের দাওয়াই!
তাই মদ ও মুরগীর সমার্থ ধরে
বেচতে লিখি এ পদ্য,
ইনগ্রেডিয়েন্ট মূলত করলা,
এক কিলো কেনো অদ্য!

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ইদানীং এর কড়চা

চারিপাশে এত বুজর্গ লোক
আমি আনপড় এথা বেমানান!
বাবুদের সুখ ভোদকার মুখে
ভোদাইয়ের বিড়ি সুখটান!

অহো!

খাসা লিখচে গো ভাতঘুম সেরে
কিসে জগতের দুখ বিমোচন! 
হাভাতেরা সব ফুটো থালা নেড়ে
রচে বাবু টাবুদের বিনোদন!

মহাশয়!

আমি মুরুক্ষু লোক, ফেসবুকে বড় অসহায়,
জ্ঞানের দাওয়াই আর কত খাব
বদহজমে মরি, বাঁচা দায়!
কবিতাটি ১২৫ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৬/১২/২০১৭, ১০:১৪ মি:

অধুনাতন পদ্যকার

আমার হাতে ছন্দ বিকল, 
তবু গদ্য লিখে পদ্যকার।
দোকান জুড়ে কাঁসা পিতল,
-নাম জুড়েছি 'স্বর্ণকার'!

আদা বেচি, কিনব জাহাজ,
বেগুনে চাই হীরের দাম।
যার যা খুশী বলুক গে যাক
-বায়সে গায় স্বরগ্রাম!

তালের জ্ঞানে বেতাল আমি
সব গানে চাই হাততালি!
উন্নাসিকে নাক উঁচালেই
কবিতাটি ৯১ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:২৫/১০/২০১৭, ১৭:২৫ মি:

ব্যবধান কি অভিশাপ

সাধ হয় ডুবে থেকো প্রেম-অপ্রেম কেচ্ছায়,
আমি তো নির্বাপিত এ আঁধারে স্বেচ্ছায়!
খুঁজো না নিখোঁজ কারো তিরোহিত অন্তর,
বিরহ অনন্ত নয়, মন নয় যন্তর!
ভুলে যাওয়া প্রাকৃত, না ভোলাই মহাপাপ,
নৈকট্য মধুর বটে, ব্যবধান কি অভিশাপ?

আশাবরী আশা

মৌসুমী খরা বুকের প্রান্তে,
আমি তো জানিই, তুমিও জানতে
খা খা প্রান্তরে বরষা আনতে
কত মল্লার গেছি সেধে,
মেঘের হাওয়ায় উদাস জনম
ভরিয়েছি গান বেঁধে!

অধরা স্বপ্নে বিভোর আবেগে
নৌকো গড়েছি রাত জেগে জেগে
যদি মরানদী কখনো আবার
ঢল নেমে যায় ভরে,
তুমি তো দেখেছ মেঘনন্দিনী
অমরাবতীর ধারে- আমার নিত্য বিনাশ,
আমি বুঝেও বুঝিনি যারে!

এখন একেলা নট-ভৈরব
আমি তটে তটে ফিরি একা,
তুমি আশাবরী কণক বিভায়
এখনো দিলে না দেখা!
কবিতাটি ১২৯ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৪/০৬/২০১৭, ১৮:৩৪ মি:

রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

তফাৎ শুধু

"তুমিও মানুষ আমিও মানুষ তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়।"
এই কথাটা লিখতে যদি আঁতেলবাজীর গুণ ছাড়াই,
লিখতে যদি সবার তরে, লবি ছেড়ে রাজনীতির
তবে সালাম তোমায় নওল কবি, এই বাংলা সংস্কৃতির-
জাত বাঁচতো, এ জাত কারো জাত মেপে কি পা বাড়ায়?
পিঠ বাঁচানো কথা যাদের, তবে তারাই বাঁচুক শিরদাঁড়ায়!

বলছিলাম কি,

তুমিও মানুষ আমিও মানুষ তফাৎ শুধু এক কথায়-
মানুষ হয়ে কাঁদতে পারি সব মানুষের সব ব্যথায়?
কবিতাটি ৫৭৪ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৩/০৫/২০১৭, ১৯:০৬ মি:

আচমকা বৃষ্টি

অবশেষে একদিন কোলকাতা মেঘ,
একদিন আচমকা টাপুরটুপুর,
একদিন খুব বেশী বেলা করে ঘুম,
একদিন বৃষ্টির অলস দুপুর-
তুমি পাশে নেই।

মেঘ আছে কালো কালো।
আছে অবিরাম বারিধারা, মল্লার সুর।
কবিতাটি ১৪১ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৮/০৩/২০১৭, ১৩:০২ মি:

কোপা-শামসুর দাওয়াত (রম্য ছড়া)

আছলাম ভাই, আসলাম তবে, ভাবীরে দিয়েন সালাম
আসতেই হবে আমার বিয়াতে আবদার করে গেলাম!
কান্দির পাড়ে রিকশা ধইরা তিরিশ টাকার ভাড়া
আইসা যাবেন দশ মিনিটেই ভাইয়ের ঠাকুরপাড়া!
যারেই জিগান ভাইয়ের ঠিকানা, আবাল-বৃদ্ধ-নারী-
হগলেই চেনে ঠাকুরপাড়ায় কোপা-শামসুর বাড়ি!
কবিতাটি ৩১৪ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৪/০৩/২০১৭, ১৩:৪১ মি:

ভার্চুয়াল চোর

গতরাত্তিরে আমি তাহার লেখাটি কপি মারিয়াছি গোপনে
কেহ বুঝিবে না পেস্ট করি দিব, পোস্ট হয়ে যাবে এখনে!
সকলে ভাবিবে আমি লিখিয়াছি, ধন্য বলিবে সবে
আমিও বিনয়ে কহিব সকলে- 'ও সব কিছু না, তবে-
লেখাটি আমার মনোমত নহে, কিছু বিষয় গিয়াছে মিস,
সামনের বার সবটা লিখিব, হবে না উনিশ-বিশ!'

সকলে আমার আঙ্গুল দেখিবে, লাঙ্গুল দেখে না কেহ
আমি যে বরাহ মানুষের রূপে ভান ধরি অহরহ-
তাহা নহে মোটে বুঝিতে সহজ- ভার্চুয়ালের ফ্রেমে,
চুরি করি সাঁটি পরের লেখনী- রমনী মজাই প্রেমে!
কবিতাটি ১৯৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:১৮/০২/২০১৭, ১৪:০২ মি:

আমার ডায়েট সমাচার

ঘাসফড়িং এর মচমচে ফ্রাই, গোটা কতক চ্যাং,
আজকে ডিনার ভালই হল রোস্ট বানিয়ে ব্যাং!
বিছুটি পাতার ঝোলের মাঝে ডজন খানেক ক্যারা,
ভালই লাগে সরষে তেলে ভাজলে হালকা কড়া!
আরশোলার ওই চাটনী রাঁধা?- গিন্নীর ভাল জানা 
কেঁচোর স্যুপ আর পাই না খেতে, বদ্যি বলে মানা। 
তাতে নাকি মেদ বেড়ে যায়, তবে টিকটিকিটা ভালো,
সেটা নাকি রোজ খাওয়া যায়- সাদা কিম্বা কালো!
টিকটিকিতে রক্ত বাড়ে, পিঁপড়ে চোখের পাওয়ার,
পিঁপড়ের এখন বাজার গরম, আর কি আছে খাওয়ার!
কলাই ডালের পায়েস করে মিষ্টি কিছু নিমপাতায়
                    সকাল সন্ধ্যে নিয়ম করে- নিত্য যদি খাওয়া যায়
                    তবে নাকি স্বাস্থ্য হবে এক্কেবারে গাধার মত সুঠাম-
                    রোজ আর এসব পাব কোথায়? ঘর কি খাদ্য গুদাম?
                    তাই ব্যাঙের ওপর ডিপেন্ডেবল, প্রোটিনযুক্ত জিনিস,
(হ্যাঁ রে খগেন) কাল বাজারে কচি দেখে আর দু'একটা কিনিস!
                    শীতের দিনে মসলা কষে কুনো ব্যাঙের ঝোলে
                    যে ডোবেনি সে বোঝেনি - পার্টি কাকে বলে!
                    মিষ্টি কুমড়োর ঘ্যাঁট খেয়ে কি এসব বোঝে লোকে,
                    তাই বঙ্গবাসীর পেটের ব্যারাম যাবে আর কি সুখে?
আমার মত ডায়েট করুন, ভেজাল খাদ্য ছাড়ুন
বলতে কিন্তু ভুলেই গেছি- আহা! ঝিঁঝিঁও কিন্তু দারুন!
পোস্ত ঝিঙে মিশেল করে সেদ্ধ ঝিঁঝিঁ খান-দশেক
ভাবছেন বুঝি পাগল আমি, মাথায় আমার ভীষণ ক্র্যাক! 
ভাল বুদ্ধি নেয় না লোকে- সে কি আমার অজ্ঞাত? 
তবু যদি শুনত রে কেউ- পোড়া মনের সুখ হত!!
কবিতাটি ১১৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৮/০২/২০১৭, ১৪:১৯ মি:

ধর্ম বিভ্রাট

বামুন বলেন ম্লেচ্ছ আমায়, 
মোল্লা বলেন মালুর জাত
কোন কিসিমের চিজ যে হলাম, 
আল্লা মিঁয়ার মাথায় হাত!
ভগবানও ভড়কে গেছেন কাণ্ড দেখে হিঁদুর পো'র
শাস্ত্রপুঁথি কচলে মেখে- সগগো দ্বারে দিচ্ছে দোর!
বৌদ্ধ বলে হিন্দু ব্যাটা, হিন্দু বলে জাতের পাপ
খিরিস্তানও খিস্তি মারে, মুমিন বলে বাপরে বাপ! 
এই দুনিয়ায় মানুষ হতে 
ধম্ম কম্মে ডিগ্রী চাই
কোন আলেমের ডিগ্রী সেরা, 
বিদ্যে যে কার ঘর বোঝাই-

ক্যামনে কমু?

সবাই বলে আমারটা বেস্ট, ওদের গুলো খারাপ বেশ!
কারো জ্ঞানে দুলছে দাড়ি, কারো আবার টিকির কেশ!
মানুষ হওয়া গৌণ বিষয়, এ মকতবে দাও সালাম
পরহেজগারি করতে হবে, পড়তে হবে নামাজ কালাম! 
একাদশীর উপবাসে- মাছ খেয়েছ? সব্বোনাশ!
হিন্দু হয়ে হিঁদুর পেছন এমন করে দিচ্ছ বাঁশ! 
ধম্মো কম্ম কত্তে লাগে, 
শুদ্ধাচারেই পুণ্যলাভ 
নইলে সিধা নরক যাবে, 
সাতপুরুষের পড়বে শাপ!

আবার দেখি-

মার্ক্স সাহেবের গুষ্টি এসে শোনায় নানান কেচ্ছা সব
আরেক জ্বালা হচ্ছে মশাই- মদ মাতালের মহোৎসব!  
মহাভারতের অশুদ্ধ সব, বুড়ো মার্ক্সই সত্য সার
ঘরের খেয়ে পরের প্রেমে, চীনা মন্ত্রে দেশোদ্ধার-
করবে তারা, সর্বহারা- 
গলায় তাদের লাল স্লোগান!
গাঞ্জা টানা হিন্দুয়ানি, 
সভ্য কেবল মদ্যপান-
এসব বলে দেশ ও দশে 
কাঠি দিয়েই চলছে কাল,
যে বোঝে না সমাজতন্ত্র, 
চাপকে তাদের পিঠের ছাল-
তুলেই নেবে জীভের জোরে 
মামদো ভুতের ছানার দল,
সব ধর্মের সেরা ধর্ম- 
মার্ক্স দাদুটার মন্ত্র বল!

অনেক ক্যাঁচাল সইছি খুড়ো, আর পারি না কান পচে,
নতুন কিছু পারলে শোনাও, নতুন শাস্তো দাও রচে।
গানের কথা, ছবির কথা, নদীর কথা, হাওয়ার সুর,
উদাস বিকেল, ফুলের সুবাস, জৈষ্ট্য রোদের ভর দুপুর,
পাহাড়চূড়া, আষাঢ় উজান, পল্লী ডিঙির ধিঙ্গি পাল,
একতারাতে দোদুল্যমান এ সভ্যতার আদিম তাল-
সেসব লেখো, মানুষ জানুক, মানুষ হতে আর কি চাই!
এক মায়েরই মানুষ হয়ে- এক ডাঙাতেই পাচ্ছি ঠাঁই!
কবিতাটি ১৯০ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৪/০২/২০১৭, ১৫:০৮ মি:

মাতলামির কড়চা - ২

উহ! 
এই গরমে কইসি তোমায় এমন কইরা ধরবা না!
জাপটা ধইরা ঘুমান লাগে? সহী ঘুমটা শিখলা না!
আমার মত সটান হইয়া দুই হাত বুকে মরার প্রায়
চেষ্টা কইরা দ্যাহোই না আজ কত্ত ভালা ঘুমান যায়! 
না জড়াইলে ঘুম অয়না বাইচ্চা বাইচ্চা কথার ঢং
এমন কইরা ঘুমান মানা- গরমকালে ইট ইজ রঙ!
কবিতাটি ১০৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:৩০/০১/২০১৭, ১৪:২৩ মি:

মাতলামির কড়চা - ১

রাত দু'টাতে ঘুম ছুটাতে ফেবুতে লেখেন পদ্য!
সঙ্গে পোড়েন মালবোরো আর অল্প গেলেন মদ্য!
অদ্য তিনি সুখেই আছেন সদ্য হলেন বেকার তাই,
গাঁটের কড়ি কমছে নিতি, নিত্য গেলার বোতল চাই!
নেশার ঘোরে কাব্য আসে ভোদকা গিলে দু'চার ঢোক,
ভুতের মত বাড়ছে ভুঁড়ি, লোকের সেদিক পড়ছে চোখ!
বৌ গিয়েছে বাপের বাড়ি, ফিরবে কি না সন্দ খুব!
এই সুযোগে বোতল খুলে, মাঝখানে তার মারছি ডুব!

কিঞ্চিৎ বাঙালীপনা

নীতির বাণীতে ফলিত বুদ্ধ
মনের বেদীতে হিটলার।
স্বভাবে আমরা শ্বাপদের মত
মানুষের মত সু-আকার!
মানুষকে ডাকি শুয়োয়ের ছানা
শুয়োরকে করি দুলাভাই!
দিবসে আমরা থাকি দিনকানা
রাত্রের বেলা আলো চাই!
দেবী দূর্গারে অঞ্জলি দিয়ে
ভেতরে জাগাই মহিষাসুর!
অস্থি মজ্জা র‍্যাপ-পপে ভরা
দোতারা-ফোতারা হয়েছে দূর!
বাঙালী আমরা মানুষের মত
মানুষ হবার চিন্তা নাই!
যেটুকু হয়েছি, আগামাথা ঘিরে
দিনে শতবার মূর্ছা যাই!
একে অপরের পায়ের শেকল
জাত বেজাতের বড়াই খুব!
অমরাবতীর জোয়ার দেখেও
পচা ডোবা জলে মারছি ডুব!
কবিতাটি ১২৫ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:২৮/১২/২০১৬, ১২:৫৬ মি:

শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আমিলীগ ছহবত

মিঁয়াভাই আমি হেন্দুর পোলা, আওয়ামী লীগের চামচায়
কয় -'ধানের শীষেরে সিল মাইরোনা কুত্তায় যদি খামচায়-
তাইলে মাগার আমরাও নাই আশেপাশে দাদা সাচ্চা
নৌকার ভোট না দিয়া যাইলে তুমিও মালুর বাচ্চা!
দিনশেষে ভাই আওয়ামী বিম্পি জামাত ছাত্রসেনা,
ভোটের বাজারে আলাদা সকল, ভেতরে সমান মনা!'

মিঁয়াভাই আমি জন্মসূত্রে মুজিব নামের ভক্ত!
আমার রক্তে এক ফোঁটা নাই দেশবিরোধীর রক্ত!

চামচায় কয়- 'এসব বুঝি না, মুজিব মরেছে কবে!
শেখ হাসিনার জামানা এখন নীতিও বদলে যাবে!
মুজিব কখনো বলেছিল নাকি মদিনা সনদে দেশ-
চালাইতে হবে, না হলে দেশের ইসলাম হবে শেষ?
মুজিব কখনো বোঝেনি দাদারা ওলামা লীগের প্রয়োজন
মুজিবের ঘিলু হাসিনার চেয়ে আসলে আছিল কি্ছুটা কম!'

আওয়ামী এখন আওয়ামী-জামাত-বিম্পি-শিবির যোগফল
মালুর পোলারা বোঝে না কিছুই, মধু ভেবে খায় হলাহল!
আখেরে তাদের বাড়িঘর জ্বলে, মা-বোন হারায় ইজ্জত
তবুও যে তারা আওয়ামী দালাল, আমিলীগ করে ছহবত!
কবিতাটি ১০৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৪/১১/২০১৬, ১৮:৩৬ মি:

তুমি আমার

তুমি আমার মোজার্ট থেকে বধির বিটোফেন
ফরাসী সারেঙ্গী আমার, পিয়ানোয় তানসেন!
কোন আদ্যিকালের অসমাপ্ত ভবিষ্যতের সুর
রাত-দুপুরে বাঁশীর উজান, বাঁশবাগানের দূর-
গগনে উছলে ওঠো অলখিতে পাড়াগাঁয়ের চাঁদ
ভাঙা নদীর নউল প্রেমে আমার নিঠুর বাঁধ-
তুমি কি ভাঙতে পারো ঝড় দাপিয়ে দুমড়ে দিয়ে গুমোর
এঁটেল মাটির কাঁচা ঘ্রাণে পালপাড়ার ঐ কুমোর-
যেমন পুতুল গড়ে ভালবাসার, বিক্রি করে হাটে
তুমিও কি তেমনি করে বাঁচতে পারো ইছামতীর ঘাটে
শাড়ীর আঁচল উড়িয়ে দিয়ে তুফান এনে কূলে
ডোবাতে কি পারো আমায় চুলের বাঁধন খুলে?
তলাতলের অতল তলে ডুবতে ডুবতে হঠাৎ
করতে পারি প্রাণের ভিক্ষা, ধরতে পারি হাত!
তোমায় ছাড়া মরে কি সুখ! বেঁচেও নেইতো লাভ!
তোমায় ছাড়া ফিলোসফির তত্ত্বকথা- অসুস্থ বিলাপ!
কবিতাটি ১৫৭ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৪/১০/২০১৬, ১০:৫৭ মি:

তীরে ফেরা

  অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...