রম্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রম্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২

ভবিষ্য ও হবিষ্য

 

বুঝতে নারি, ঘোর কলি কাল

কোনটে পুজো, কোনটে থিম,

ভবিষ্য কি জানিনে ছাই-

হবিষ্যে খাই সেদ্ধ ডিম! 


ঋণ করে চাই ঘি এর ধারা, 

ফাও পেলে হই পাগলপারা,

রঙ-তামাশা লাগামছাড়া-

কে খেতে চায় হিম বা শিম? 


চটকে দিয়ে পিণ্ডি কত,

মাইক বাজে গো কয়েক শত,

অমায়িকের দলে যত-

বোলচে 'মশাই ততঃ কিম?’ 


বুকের কথা নাই ক’ মুখে 

সাহস কোথা দাঁড়াই ঠুকে,

দিনে কতক বিড়ি ফুঁকে-

ফর্শা হবার মাখছি ক্রিম! 



বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০২২

গুরদেব আছে বিরহে


ঘুমঘোরে হেরে লালচেলি
আজি গুরুদেব ভণে বিরহে,
"দরশ দিয়াছ, পরশ মাগিনু
নহিলে পরাণ রহে কি না রহে-
সংশয়ে আজি শঙ্কিত চিত,
তোমার চরণে হয়ে উপনীত,
শিঞ্জন-স্বনে বাঁচাও তাহারে,
তারে বাজাও নূতন মোহে!
গুরুদেব ভনে বিরহে!
ভুবনবিদিত আমি রসরাজ,
তুমি রসরাণী হও প্রিয়া মোর!
বাহু-বন্ধনে বাঁধিতে নিঠুর লাজ
স্বপন টুটিলে, দেখ আঁখিলোর-
মম, ধরা ভেসে যায়, যেন বন্যা-
তুমি সুবদনী, শত চাঁদ জিনি-
রূপ-বৈভবে ধন্যা-
অপাঙ্গে হানো অনঙ্গশর,
আমি জ্বলে হই তাতে অঙ্গার!
দাও প্রিয়া এই অনল নিভায়ে-
ঢালো বারি প্রেম গঙ্গার!
তোমার বিনা আমি কাঙ্গাল হতেছি-
চেলাগণে নিতি কহে।"
অপ্রকাশ ভাষে, গুরুদেব রোষে
গুরুলীলা তবু কহে!
গুরুদেব আছে বিরহে!

Like
Comment
Share

শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

এচ্চেয়ে ভাল দইভাত

 

বয়সের আগে বুড়ো হয়ে গেচি, সামনে নোচ্চে ক’খানা দাঁত!

হাড়গোড় আর চিবুতে পারিনে বন্ধু, কপালে দুবেলা দইভাত!

 

দেকি আলেয়ার মত কাতলা কালিয়া দূর থেকে দ্যায় হাতছানি

গ্যাস্ট্রিকে ভুগি, তেলঝালে মানা; পেটে গেলে পিলে পোড়ানি!

 

আহা ইদিকে আবার আছে মধুমেহ, রসগোল্লাটা চিপে খাই;

তবু একবার যদি দ্যাকেচে গিন্নি, জানি ত্রিভুবনে কেহ নাই

 

বাঁচাতে আমারে; নুকোবো কোতায়- ভেবে হই আমি কুপোকাৎ!

অসম সমরে মরে যাব নাকি দাদা? থাক এচ্চেয়ে ভাল দইভাত!

 

 

 

 

শুক্রবার, ২১ মে, ২০২১

রসরাজ রসসিন্ধু

 

রসরাজ রসসিন্ধু, বিতর হে রসবিন্দু,

ঘোর আঁধারে শরদিন্দু, পথের দিশারী হে!

এসেছি বাঁশের ঝাঁড়ে, পাপপুষ্কুরিনী পাড়ে,

কৃপা কর আজ আমারে সত্বর উদ্ধারি হে!

 

ঘুরে মরি মাঠে ঘাটে, গঞ্জিকায় দিন কাটে,

অসকালে লোটা’কয় ভাঙে মত্ত চিত্ত হে!

না পারি বিলিতি হতে, বঙ্গবাসী কোন মতে,

তোমারে পূজিব সদা নাই অত বিত্ত হে!

 

কতজনে মারে ল্যাঙ, পড়ে হাতি, নাচে ব্যাঙ,

ধরেছি তোমারি ঠ্যাং, অধমেরে রাখো হে!

ও ঠ্যাঙে দিয়েছি ভার, ও ঠ্যাঙ সারাৎসার,

না ভুলিব কভু আর, ঠ্যাঙানিতে কারো হে!

 

কোথা রসরাজ প্রভু, সুরাসক্তজন-বিভু,

অণ্ডবাক-অরি-প্রতিভূ, ঢেঁকিবাহন-নাথ হে!

আমার কর’হ গতি, কৃপাহস্তে শীঘ্র অতি,

ঢালো গো রসের-কুম্ভ, রসধারাপাত হে!

 

-        পদকর্তা বজ্রযানী বৈষ্ণব।

 

কবে কোন প্রেক্ষাপটে, কোন সময়কালে বজ্রযানী বৈষ্ণব এই রসরাজ-কীর্তন লিখেছিলেন সেই তথ্য আমাদের আপাতত জানা নেই। গবেষণা এখনো চলছে।

 

#গ্যাঁজাল_সিরিজ

 

 

 

বুধবার, ১৯ মে, ২০২১

রসরাজ নিমন্ত্রণ

 

আশা ছিল মনে রসরাজ সনে- খাইব বসিয়া রাজভোজ!
ডাকিল না কেহ, করিল না দয়া, এমনি নসিব হররোজ!
অভাগা-শ্রেষ্ঠ, পাতকী বলিয়া, জনে জনে পাই হেলা,
তিনিও নিলেন ঠ্যাং দু’টি তুলে শির হতে এই বেলা!
ওগো অপ্রকাশ, এ কি পরিহাস, করেছ দীনের সাথে,
গুরুরে ছাড়িয়া এককাঠি আগে, তুমি যে পোক্ত চেলা,
আমি যে এখন ডুবিনু পাথারে, তোমারি মন্ত্রণাতে,
মোরে থুই কোথা গ্যালা?
বলেছিলে তুমি- গুরুর কুটীরে পাইব নিমন্ত্রণ,
বিশ্বাস আমি করেছি যদিও, গুরুটি অতি কৃপণ-
বিদিত ধরায়, শত্রু-মিত্রে কহে, মিথ্যা কিছুটি নহে!
তবু তোমারি বাক্যে করিয়া ভরসা, আশায় ভরেছি বুক,
এইভাবে তুমি ঠকাইতে পারো, ঠকাইয়ে পাও সুখ-
তাহা ভাবিনি কদাপি স্বপনে,
এই ছিল তব মনে?

১৪-৫-২০২১

কাকলি ফার্নিচার

 কি কথা কহিলি অভাগী কাকলি,

হয়ে গেলি কবে ফার্নিচার?
মিম বানাইছে, ট্রোল করিতেছে
দ্যাখ, ফেসবুকে কত দুরাচার!
ওরে, ধরম করম সকলি পণ্ড,
শান্তি পাইনে আর দু’দণ্ড,
কর্ণকূহরে ধ্বনিতেছে সদা
ওরে, কেবলি কাকলি-হাহাকার!
বলিহারি এই ঘোর কলিকালে,
মত্ত সকলে নিতি গোলেমালে,
অহোনিশি দ্যাখ হরি নাম ভুলে
করে কাকলি-মন্ত্র সার!
‘দামে কম মানে ভাল, কাকলি ফার্নিচার’!

বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০

বায়স-তাড়ন

প্রাতঃকালে টিনের চালে নিদ্রাভঙ্গে বায়সবৃন্দ
মধুর মন্ত্রে ডাকিছে কাতরে অরুণ-বরুণ-অগ্নি-ইন্দ্র!
নখর-আঁচড়ে টিনে কড়কড়ে –
শব্দ, পশিল কর্ণকূহরে,
তাহাতে সুপ্তি ত্যাজিয়া পরাণ বিস্বাদে গেল ভরি,
কি বা পাপফলে এমন সকালে নিত্য ঘুমাতে নারি!

এতৎ ভাবিয়া ঋষি শ্রীঅণ্ড, ক্রোধারক্তিম করিয়া গণ্ড,
খিড়কি খুলিয়া আসিলেন প্রভু, ছোড়েন কতক ঢিল!
রসরাজ করে এই কারসাজি, সহ্যের সীমা পার হল আজি,
ব্যাটারে এ বেলা দণ্ড না দিলে, টেকা হবে মুশকিল!
খিড়কি খুলিয়া আসিলেন প্রভু, ছোড়েন কতক ঢিল!


_____________________________

রসরাজ-অণ্ডবাক সংঘর্ষ নিয়ে আমাদের যে ইতিহাস গবেষণা, তাতে নতুন আলোক প্রদান করেছে এই অধুনাপ্রাপ্ত কাব্যটি। 'বজ্রযানী বৈষ্ণব পদাবলী'র একটি অপ্রকাশিত অংশে এটি পাওয়া গেছে।

রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০

আষাঢ়-কেষ্ট-ক্লেশ

আমায় দেখে তোমার বাড়ির হাঁসগুলো সব হাসে

প্যাঁকপ্যাঁকিয়ে পুকুরধারে, ভেঁচি কাটে, পুচ্ছ নাড়ে,

তেড়ে গেলেই অমনি তারা পুকুর জলে ভাসে!

তোমার বাড়ির হাঁসগুলো সব হাসে।

 

তোমার বাড়ির সামনে আসি, রাস্তা জুড়ে কাদা,

আষাঢ় দিনে, ষাঁড়ের মতন একটি মাত্র দাদা,

দেখতে পেলাম আছেন ঘরে, তাকিয়ে আছেন কেমন করে,

জানেন আমি কেষ্ট ঠাকুর, বোনটি যে তার রাধা!

তোমার একটি মাত্র দাদা!

 

চোখের দেখা আর কি দেখি, ফিরে যাবার ক্ষণে

স্যাঁতলা ইটে পা পড়েছে, কি করে কে জানে!

এক আছাড়েই বিধির বিচার টের পেয়েছি বেশ,

আষাড় মাসের কেষ্ট হওয়া – এ যে ভীষণ ক্লেশ!

 

 

 

 

 

 


মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০

বজ্রযানীর বেহাল দশা

গুরুদেব,

 

লোকমুখে শুনছি প্রভু, মোরা নাকি কর্তাভজা,

অণ্ডবাকের গুণ্ডারা সব, রাস্তাঘাটে নিচ্ছে মজা-

টিকি ধরে মারছে গো টান,

তোমার আর রইল না মান,

কোনক্রমে বাঁচিয়ে পরাণ, এলেম ছুটে এথায় সোজা!

 

ঘরে বাইরে চোখ রাঙানি, কবে তারা দেয় ঠ্যাঙানি,

তারা নাকি বলছে শুনি, ছাল ছাড়াবে বাইরে এলে!

রক্ষা কর তোমার দাসে, মরেই যাব ভয়-তরাসে,

তারা যদি সত্যি আসে, প্যাঁদায় যদি একলা পেলে!

 

রই গো তোমার চরণছায়ে, দেখি না গো ডাইনে বাঁয়ে,

কোন রকম খাচ্ছি ভাল, আলু-পটল-উচ্ছে ভাজা!

তাতেও তারা রুষ্ট এত,

লোকের কাছে নিন্দা কত,

আমি নাকি ধর্মদ্রোহী- ত্যাজেছি তাই চরস-গাঁজা!

 

 

অনেক ইতিহাসের দলিল ঘেঁটে পদকর্তা বজ্রযানী বৈষ্ণব বিরচিত এই পদ উদ্ধার করতে পারলাম। আপনারা যারা জানেন শ্রী অণ্ডবাক মণ্ডলাচার্য্যকে ত্যাগ করে বজ্রযানী বৈষ্ণব রসরাজ শ্রীদেবকৃপাশিসানন্দ গোস্বামীপাদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করার পর এ নিয়ে তেমন কোন উচ্চবাচ্য হয়নি, উভয়দিক থেকে তেমন কোন প্রতিক্রিয়ার বিবরণ পাওয়া যায়নি- এটা ভুল, আমরা এতদিন এইটুকু জানতাম। কিন্তু আবিষ্কৃত এই পদ থেকে এটা স্পষ্ট যে- উভয় গোষ্টীতে একটা বৈরীতা এসে গিয়েছিল। এই নব-আবিষ্কৃত পদ তার দৃষ্টান্ত।

 

 

 


শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০

করোনা-পীড়ন

নভেল করোনা, কর হে করুণা

কোরো না কোরো না এত নিপীড়ন,

আর যে সইতে নারি!

কত দিন আর কাটিব না চুল,

কতদিন রাখি দাড়ি?

 


বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০

অন্নদামণ্ডলকাব্য

‘অন্নদামণ্ডলকাব্য’

পদকর্তা বজ্রযানী বৈষ্ণব প্রণীত

 

মণ্ডলাচরণ

 

জয় রসরাজেশ্বর রসার্ণব যিনি,

অণ্ডবাক-অরি প্রভো, অকূলে তরণী।।

বন্দি শ্রীঠ্যাঙযুগল, ছন্দ পদ দিয়া,

না জানি বন্দনা দেব, পাপে মত্ত হিয়া!

কৃপানেত্রে হের নাথ, বিদ্যা দেহ মোরে,

যাহে রচি এ কাব্যনিধি গঞ্জিকার ঘোরে।

দাস তব বজ্রযানী, আছি জনমে জনমে,

ভ্রমিয়া ভূমণ্ডল রসপতি, সংসার ভ্রমে;

রহে যেন অক্ষয়, নাথ তব পদে মতি,

তুমি হও মাহুত মম, আমি তব হাতি!

 

 

প্রথম সর্গ- মহারাজ কন্দভোজের রাজসভা- সভাকবি বজ্রোজ্জ্বল- কাব্যস্ফূরণ।

 

মহারাজ কন্দভোজ, কন্দ সেবে হর-রোজ

গতরে কান্তি ছটা, হইয়াছে কিবা!

তিলোত্তমা মুর্ছা যায়, রম্ভা অষ্টারম্ভা পায়,

অদ্য চল যাই দেখি তার রাজসভা!

 

আছেন অমাত্য কত, কাঠপুত্তলির মত,

দিবারাতি তোষামোদে, আর কর্ম নাই!

আছেন দু’এক ভাঁড়, সে কথা কি বলি আর,

আর কত বল ভবে পরনিন্দা গাই!

 

প্রতাপে দুর্বল রাজা, তাহে সুরক্ষিত প্রজা,

বিনা করে রাজকোষ কানা-কড়ি-ছাড়া।

এ কথা বলিবে যে, অকালে মরিবে সে

তৎক্ষণে শিরোপরে নামে মুক্ত খাঁড়া!

 

মদিরা-মোহিনী লয়ে, রাজকার্য্য যায় বয়ে,

তবে গুণবান রাজা কাব্য-গীত-নিষ্ঠ!

এ আর বিচিত্র কি, গুণীজনে কহ দেখি,

শ্রীরসরাজ পদ যিনি করেছেন ইষ্ট!

সভামাঝে সভাকবি, যেন রাহুর বিবরে রবি,

কুমার বজ্রোজ্জ্বল আছে সভা আলো করি!

মহারাজ প্রিয়পাত্র, মেদ জমে বাড়ে গাত্র,

বৈষ্ণবকলঙ্ক কূলে, ঘোর মাংসাহারী!

 

লেখনিতে কি বা জাদু, প্রতি পদে ঝরে মধু,

কন্দবন্দনায় ভরা কত, নানা ছন্দ রঙ্গ!

গুণীজনে কহে শুনি, বজ্রোজ্জ্বল ছন্দমুনি,

কর্মফলে হয়েছেন- গোময়পরি ভৃঙ্গ!

 

কাব্যস্ফূরণ

 

রাজডরে লেখে কবি রসরাজ স্তুতি,

অন্তর অণ্ডবাকে, পরাভক্তি অণ্ডের প্রতি।

এই প্রকাণ্ড ব্রহ্মাণ্ডে কেবলি ভজিয়া অণ্ডে

গ্রন্থ রচে শতখণ্ডে অণ্ডকৃপাবলে,

বেষ্টিত পন্নগদলে, তথাপি অভয়ে চলে,

অন্তরাণ্ডপুরিত যার, তার কে করিবে ক্ষতি?

হেন সাধ্য আছে কার, কার হয় নিজানিষ্টে মতি-

কহে বজ্রোজ্জ্বলে কটুবাক্য জানিয়া স্বরূপ?

 

সান্ধ্য কুক্কুটের স্যুপ- পিয়ে কবিবর,

চলেন পদব্রজে মিলিতে রাজায়,

পশ্চাতে কে ডাকে ঐ, ‘বজ্রোজ্জ্বল-

কৃপা করে দু’দম দেহ, আমার গাঁজায়!’

 

সংবর করিতে নারে আপনা অন্তর,

ছূটিয়া গেলেন কবি স্মরে ভোলানাথে,

‘জয় শ্রীঅণ্ড’ বলে, তুলিয়া ধূম্রনিধি,

কলিনিকন্দন-কল্কি সেবা নেন হাতে!

 

 

-          আগ্রহী পাঠক, এ কাব্য ক্রমশ পাঠ্য

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 


বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০

কোথা প্রাণপতি রসরাজ - রম্য রচনা (বিশাখদত্ত) - Kotha Pranapati Rasaraaj







আজ থেকে ৪২০ বছর আগের কথা। শ্রীঅণ্ডবাকমার্গপন্থী
পদকর্তা বজ্রযানী বৈষ্ণব ঋষি অণ্ডবাক প্রবর্তিত মার্গকে বৈষ্ণবধর্ম বিরুদ্ধ ও নিরয়-দ্বার-প্রশস্তকারী
আখ্যা দিয়ে অণ্ডবাকমার্গ পরিত্যাগ করে বৈষ্ণবশ্রেষ্ঠ গোস্বামীপাদ রসরাজ শ্রীদেবারিকৃপাশিসানন্দ
প্রভুর চরণে নিজেকে নিবেদন করেন। কথিত আছে এই ভক্তিসুধাসঞ্চারিনী রসরাজ-প্রার্থনা পদকর্তা
বজ্রযানী বৈষ্ণব, শ্রীরসরাজ চরণে উপনীত হওয়া-মাত্রই বিগলিত কন্ঠে গেয়ে ওঠেন। সেই ঐতিহাসিক
কীর্তনটি পরিবেশিত হল।

কোথা প্রাণপতি রসরাজ, ভকতে দর্শাও আজ-
মদনমুর্চ্ছিত সাজ, দেখে তবে অক্কা পাই!
ভেবেছি মারিব ছক্কা, বারেবারে জোটে ফক্কা,
যমে দেয় টরেটক্কা, ভয়েতে ভিরমি খাই!

মাংসাহারী কারণে, পোছে না বৈষ্ণবজনে,
নিন্দা করে জনে জনে, গাঁয়ে চলা হল ভার!
ভজিয়া শ্রীঅণ্ডবাকে, পড়েছি কি দুর্বিপাকে,
কু-শ্রাস্ত্রবচন ধরি, হল ধর্মাধর্মে ছারখার!

রসুন-পেঁয়াজ ছাড়ি, শ্রীচরণে রব পরি,
তার মোরে দয়া করি, না তারিলে কোথা যাই?
দিবানিশি আছি ঘরে, কলত্র কলহ করে,
এতে যদি যাই মরে বৈকুণ্ঠে পাব কি ঠাঁই?

- পদকর্তা বজ্রযানী বৈষ্ণব





তীরে ফেরা

  অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...