মানুষের দাঁতে লেগে আছে কোন মানুষেরই তাজা মাংস
এই মানুষের বুকে রক্তপিপাসা, মানুষ ক্রমশ হিংস্র-
থেকে হিংস্রতমতে, বেশ তুলেছে নিজেকে টেনে!
আয়নায় দেখে থতমত খাই- আমিও মানুষ জেনে!
খঞ্জরে নরহৃদয়খন্ড উঁচিয়ে মানুষ হাসে,
মানুষই মত্ত অন্য মানুষ যখন সর্বনাশে!
বিশাখদত্ত
যা মনে আসে লিখি। ভাল লাগলেও লিখি, না লাগলেও লিখি। কারো ভাল লাগা না লাগার ওপর আমার কোন ঔৎসুক্য বা অভিমান নেই!
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
মানুষ
সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
মন তুমি তায় কান দিয়ো না
মন তুমি তায় কান দিয়ো না।
তুমি দুধের বাটি সামনে পেয়ে, কথার ছলে ঘোল খেয়ো না!
কে দেয় গালি, কে দেয় তালি, না শুনে মন জপ কালী,
মন তুমি ভাই চলবে সোজা, কথায় ভুলে পথ ভুলো না!
ভবের বোঝা হইলে ভারী, কেউ রবে না মন তোমারি
মন তুমি সমেত ডুববে তরী, কাণ্ডারী আর কেউ হবে না!
বিশাখ ভনে এ ভুবনে - মন তুমি রও আপন মনে
পদপঙ্কজেতে মন লাগিয়ে পঙ্কে যেন পা ফেলো না!
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
পগার পার
তারা সবাই জানে সদুপদেশ, নীতির বাণী, শাস্ত্র-সার,
সাগর-প্রমাণ হৃদয় ওদের, বইছে সদা-ই নয়ন-ধার-
পরের দুখে। সবাই বোঝে ধর্মমর্ম, সবাই জানে কর্ম কি!
শুধু অবোধ আমি বুঝি না ছাই, আমার চোখে বুজরুকি-
সব লাগছে যেন, দেখি কেমন সবাই এখন বেশ চতুর;
হয়ত আমিই সর্বদা ভুল, তাই এই অবধি রই ফতুর!
আহা! নিঃস্বজনের জন্য মায়ায় সবার দেখি প্রাণ কাঁদে,
আমার একলা বুঝি পাষাণ-পরাণ, মন পরে না সেই ফাঁদে!
যারা শোনায় আমায় কিতাব খুলে প্রবচনের ফুলঝুরি,
তারা কেউ আসে না আপদ এলে, গলায় যদি দেয় ছুরি-
কোন রাক্ষসেরই বংশধরে-
যে পুঁথির গল্পে সঁপেনি প্রাণ-
এ জন্মে কি জন্ম-পরে;
তার থাবার ছায়ায় দেখি সবাই-
কেমন করে ভির্মি খায়,
দেখি কেমন করে বাঘের দলে-
শেয়াল দেখে লেজ গোটায়!
এরাই আসে পরলে পাঁকে হাঁতির লেজে টান দিতে,
মুমুর্ষকে মরতে ঠেলে- তাদের মিষ্টি কথার অমৃতে!
যাদের দ্বিমত আছে মরতে এখন, তারাই বুঝি ধরার ভার!
এদের এমনতর বয়ানবাজী- বোঝার আশা পগার-পার!
সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
ভেবেছি পুজিব পদ মানসকুসুমদলে
ওমা, ভেবেছি পুজিব পদ মানসকুসুমদলে
হেরি এ কুসুম কীটদষ্ট, আমারই করম ফলে!
আমি মুরতি আনিয়ে ঘরে, বসালেম আসনে পরে,
শুধু হৃদয়ে মা ঠাঁই হল না, এ ভেবে পরাণ জ্বলে!
আলোকে আরতি করি, প্রদীপে তুলিয়া ধরি,
তবু নয়নে আঁধার হেরি, বুক ভাসে আঁখিজলে।
ওমা, বিশাখের এ বাসনা, অন্তে নিদয়া হয়ো না,
যেন দুর্গা বলে যেতে পারি ও রাঙা চরণতলে!
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
মশাল যাত্রা
ঘোর ক্রান্তির দিনে সবাই যে অস্ত্রে শান দেবে তা তো নয়,
কেউ বা, হয়ত আঁধারে মুখ তুলে আকাশে গুনবে তারা!
স্রেফ তোমার দায়টুকু তুমি জেনে নিলেই ভালো, চলো পথ—
রথে বাঁধো রণধ্বজ, তূণীর তোল কাঁধে, বর্ম চাপো নির্ভয়ে।
আর বাকী যদি কেউ না দিল সাড়া, তবু পেছনে চেয়ো না ফিরে,
সমস্ত যেভাবে যাবে যাক— অদ্ভুত অন্ধকারে বয়ে—
স্রেফ তোমার কাজ মশাল উঁচিয়ে চলা!
মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
বিশাখের নাও অর্ঘ্য
মহিষমথনী শোণিতসিক্ত খড়্গ,
দনুজদলনে রঞ্জিত পাদপদ্মে
সাধক-যাচিত সকল চতুর্বর্গ!
ওই মুক্ত-চিকুরদামে- বিদ্যুৎ খেলে চমকে,
অট্টহাস্যে রাত্রি-গগনে- বজ্রনিনাদ দমকে
কম্পিত ত্রাসে- পাতাল-মর্ত্য-স্বর্গ!
হুংকারে ভয়ে নিভে যায় শত দিবাকর,
পদসঞ্চারে প্রলয়পবনে মুর্ছিত ওই চরাচর!
নেত্রত্রয়ে ভুবনবিনাশী অগ্নিগিরির বহ্নি,
হে মুন্ডমালিকাভূষিতা, হে নগাধিরাজের তন্বী-
বিশাখের নাও অর্ঘ্য!
শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
হে মহেশ মহাকাল
এ বড় বিষাদঘন অসুখ অন্তরাল
কঠিন, অসহ, এ যে কুটিল, করাল।
বক্ষ বিদারি জাগা আর্তের ক্রন্দনে
এ যেন ঘুমিয়ে থাকা কুসুমিত নন্দনে
মরণ-মোহিত সব, কি ভীষণ মায়াজাল!
কি প্রখর বিষজ্বালা পন্নগ দংশনে
তবু সুখ আশে ছুটে চলা নিয়ত অসুখ পানে।
অগ্নিগর্ভ হতে সদা বয় সুর-নদী,
তোমার পারাবারে কোন দিন মিলে যদি;
তারে ফিরায়ো না দীনপতি, হে মহেশ, মহাকাল!
মানুষ
মানুষের দাঁতে লেগে আছে কোন মানুষেরই তাজা মাংস এই মানুষের বুকে রক্তপিপাসা, মানুষ ক্রমশ হিংস্র- থেকে হিংস্রতমতে, বেশ তুলেছে নিজেকে টেনে! আয়...
-
The Last Ride Together - Robert Browning I SAID—Then, dearest, since ’tis so, Since now at length my fate I know, Since nothing a...
-
৮ম পর্ব ______________ ১৩ জানুয়ারী সর্বশেষ পারিবারিক ইতিহাস বৃত্তান্তের কথা লিখে আজ আবার ৮ম পর্ব লিখতে বসলাম। বিগত পর্বগুলোতে এই পরিবারের ...
-
এসো আলিঙ্গনাবদ্ধ হই সঙ্গমাকুল সাপ ও সাপিনীর মত বিষ থাক যন্ত্রের নির্দিষ্ট প্রকোষ্ঠে, অধর ও ওষ্ঠে পেঁচিয়ে যাই নেত্রে নেত্র যাক গেঁথে, কম্প...