ধ্রুপদী কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ধ্রুপদী কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬

বিশাখের নাও অর্ঘ্য

 

মহিষমথনী শোণিতসিক্ত খড়্গ, 

দনুজদলনে রঞ্জিত পাদপদ্মে

সাধক-যাচিত সকল চতুর্বর্গ! 

ওই মুক্ত-চিকুরদামে- বিদ্যুৎ খেলে চমকে, 

অট্টহাস্যে রাত্রি-গগনে- বজ্রনিনাদ দমকে

কম্পিত ত্রাসে- পাতাল-মর্ত্য-স্বর্গ! 

হুংকারে ভয়ে নিভে যায় শত দিবাকর, 

পদসঞ্চারে প্রলয়পবনে মুর্ছিত ওই চরাচর! 

নেত্রত্রয়ে ভুবনবিনাশী অগ্নিগিরির বহ্নি, 

হে মুন্ডমালিকাভূষিতা, হে নগাধিরাজের তন্বী- 

বিশাখের নাও অর্ঘ্য! 

বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জগত্তারিণী আসে

 

রাত্রি নিবিড়, অতি গম্ভীর, বজ্র নিনাদে জাগে- 

যোগিনী কোটি সঙ্গিনী সাথে মহিষদলনী তারা! 

বর্মসজ্জা বাজে ঝনঝন, টঙ্কার শুনি, দামামা রণন;  

করী-অরি ধরে গুরু-গরজন, দনুগণ ভয়ে সারা! 


বরষামুখর জলসংকুল পথ- পূজারীর দল চলে, 

নীলাব্জমালা সজ্জিত ডালা সযতনে তুলে শিরে; 

গায় আগমনী দূরে বিহগিনী বিজন বিটপী ডালে, 

মেঘস্বন ঐ প্রলয়ের লয়ে আঁধার রজনী ঘেরে! 


ঐ দেখ, দেখ ঐ খড়্গধারিণী-হীরকখচিত মুকুটে 

সূর্যকিরণ সুবর্ণরাঙা ঝলকে- তমসার ত্রাস নাশে;

‘মাভৈঃ মাভৈঃ’ চেয়ে দেখ ঐ জগত্তারিনী আসে! 

 

শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

দুরারাধ্যা ভবদারা

 



দুরারাধ্যা ভবদারা আরাধিতে মন যায়
চারিধারে মায়াকারা, মন তারে নাহি পায়!
পদ্ম-বিল্ব-জবাদলে সঁপি দিব পদতলে
গঙ্গাবারি নেত্রজলে স্নানীয় দি' রাঙাপায়-
তবুও না দিল সাড়া এ জ্বালা বোঝাব কায়?
বাঁধিব কি তন্ত্রবলে? কি ছলে কি কৌশলে?
বিশাখের এ কপালে দুখ না ঘুচিল হায়!
তাপিত তনয় ভনে, তারিণী তোমার মনে
যাহা ইচ্ছা তাহা কর, মনে তব যাহা চায়!
অন্তিমে রাখো কোলে- রহিল মায়ের দায়!












বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

সম্বর ক্ষণকাল

 

বঁধু হে, সঘন-অম্বর, সম্বর ক্ষণকাল- 

এখনি যেয়ো না ফিরে, ঝড়ো বায়ু বিকরাল। 

দুকূলে তিমির হেরি, খেয়াঘাটে নাই তরী; 

দশ দিক গ্রাস করি- শ্রাবণের মায়াজাল- 

নামে ঐ ডমরু ডক্কারে, বনে বনান্তরে-

পরবত, পাথারে, অশান্ত অন্তরে, ক্ষুব্ধ, ভয়াল! 

শবাসনা শেষক্ষণে

 

অযুত দুরিতভারে চলিতে না পারি আর! 

শতধারে দুখধারা বহে আঁখি অনিবার।। 

প্রতি পলে কত ছলে প্রপঞ্চে পরাভূত, 

নাহি দয়া মহামায়া, হেরিয়া পতিত সুত;

হয়েছে বিষয়ব্যাধি, কে করিবে প্রতিকার? 

অনঙ্গ অঙ্গার সম, জ্বলিছে অঙ্গে মম, 

অপাঙ্গে রক্ষ মম, শ্রীপদে দিয়াছি ভার! 

পরে মাগো শরাসনে, কাতরে বিশাখ ভনে, 

শবাসনা শেষক্ষণে কোলে কি নিবিনা আর? 



১৭ জুলাই, ২০২৫। 


সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫

কালী কালবারিণী

 

সগুণা নির্গুণা তারা, মা, লীলাময়ী, হরদারা, 

রে, ব্রহ্মরূপা পরাৎপরা, কালী, কালবারিণী।। 


'ত্বয়ৈব ধার্যতে সর্বং ত্বয়ৈতৎ সৃজ্যতে জগৎ।’ 

জেনেছি মরতভূমে তুমি গো অক্ষয় সম্পদ!

তনয়ে তার গো শিবে, অশিবক্লেশহারিণী।।

রে, ব্রহ্মময়ী পরাৎপরা, কালী, কালবারিণী।। 


বিপন্নে বিতর দয়া, গো জগন্মাতা, মহামায়া, 

তাপিতে বিতর ছায়া, মাগো ভবার্ণবতারিণী।।

রে, ব্রহ্মময়ী পরাৎপরা, কালী, কালবারিণী।। 


অনন্ত অসুখ-ক্লিষ্ট, ওরে বিশাখ নিরয়ে দৃষ্ট, 

মা হয়ে কি অচেষ্ট! বলি অদৃষ্টরে দোষদুষ্ট!

কুপুত্রে জনম দিয়ে, গো ত্যাজিলে কি জননী? 

রে, ব্রহ্মময়ী পরাৎপরা, কালী, কালবারিণী।। 

শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪

হর হর শিব শম্ভু

 

পঞ্চবদন বৃষভবাহন দেব পিনাকপাণি

ভূজঙ্গধর শশধরধর হর হর শিব শম্ভু। 

ভুবনপাবন ভবানীরমণ ধূর্জ্জটি মহাকাল

গঙ্গাশরণ মদনদহন মহাপ্রপঞ্চ-জাল- 

হর, যেন বজ্রনিনাদে শিব শিব গাহে কম্বু। 

নিখিলেশ্বর গিরিজাপতি হর হর শিব শম্ভু।। 

রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪

করুণা ভিক্ষা

 

অকরুণ অরুণ কর খর তাপ

বহে ভুবনে, আমি আতুর তৃষিত হে;

শীতল কর স্নেহকর পরশনে

নিখিলজননী। 


পুত্র তব নিভৃতে নিরয়পথগামী হে, 

পাপ নিমজ্জিত কলুষক্লেষ-ক্লান্ত, 

ক্রোড়ে নাও, দিবস অবসানে

ভুবনপাবনী। 

বুধবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৪

একদা দোঁহে


একদা দোঁহে মিলন মোহে
গগনতলে দ্রুমশাখে,
ভুলিয়া নীড়ে তটিনী তীরে;
মানব যেথা চেয়ে থাকে-
অবাক হয়ে; মধুর কুহেলিকা
প্রণয়কলা অবসানে,
অতঃপরে হারানো নিধি
খুঁজিয়া মরে আঘ্রাণে-
পৌষ-পবনে, কি কুজ্ঝটিকা-
আঁখিতারা ঘিরিয়া ধরে,
তারা রোদন-ভাসী, হেরে-
বিহগযুগলে, ভাবে- ‘ওলো,
এই ভালো, মানব হইলে
জানিতে, উড়িতে কত সাধ-
কাঁদিয়া মরে গভীর গোপনে'!


পাটুলি স্টেশনে তাঁদের দেখলাম।
 

বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩

কালিকে মহাকালিকে


কালিকে মহাকালিকে ভবানী ভবতারিণী। 

মহিষমর্দিনী মুণ্ডমালিকে ত্রিলোকপালিকে শিবানী।। 


দনুজতনুদলশোণিতরঞ্জিতা ঘোরাননা অট্টহাসরতা 

লোল রসনা লক লক, ভীমা, 

শমনদমন করালিনী।। 


নৃকরভূষিতা নাগবিজড়িতা চন্দ্রশোভিতা- চিকুরদামে গাঁথা, 

চন্দ্রহাসধরা ভীষণা তারা, ওমা- 

প্রসীদ প্রসীদ বিশাখজননী।। 


রচনা ও সুর

২২ জুন, ২০২৩। 


মেঘমল্লারে বাঁধলাম। 

রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩

জাহ্নবী-জটা-তরল-ভঙ্গ

গলে-ভুজঙ্গ, ভস্ম অঙ্গ, 

করে ত্রিশূল, করে কুরঙ্গ, 

গিরিজাসঙ্গ রাজে

চরণে শরণ কোটি অনঙ্গ,

মানব দানব পশু বিহঙ্গ

নিখিল ভুবন মাঝে, 

শিব শিব গীত বাজে।। 


 

রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩

বরষণ-গুঞ্জ

 

বরষণ-গুঞ্জে বিরহ-নিকুঞ্জে 

রজনীগন্ধাসম গন্ধ। 

মায়ামেঘপুঞ্জে ঢালে বারি মুঞ্জে

শিঞ্জন-ভঞ্জন ছন্দ। 


কঞ্জনয়নী-নারী কুঞ্জর-গতি, প্রিয়ে- 

অতি-মারণ-পঞ্চশর-বাহিনী! 

কঙ্কণ ক্ষণ ক্ষণ- রণন মুগ্ধ হিয়ে, 

পলকে প্রণয়ীমন-হারিণী।  


কণকাভা অঙ্গে সখীজন সঙ্গে

চলো যেন বহে বায়ু মন্দ। 

বহু রূপ রঙ্গে, ললিত তরঙ্গে 

কেশদামে ধরা করি অন্ধ। 

সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

গরল অন্বেষণ

 


চতুর্দশপদী

___________


মধুপ যাইল যেথা পুষ্প বন ভ্রমে

মায়ার মারণ জাল তথায় জড়িত,

সুবর্ণ ললিত পঙ্খ মৃতপ্রায় ক্রমে 

প্রাণপদ্ম যেন হয় কাল-করে ধৃত-

যেমতি রাহুর গ্রাসে দিনমণি যায়, 

নিশাকর নিরাকৃত নিশি সমাপনে, 

যেমতি সে অভিমন্যু সমর অঙ্গনে-

সপ্তমহারথী তীর বক্ষে ধরে হায়! 


নহে এ প্রপঞ্চ পুঞ্জ সুখের জলধি 

মদিরাক্ষী প্রেমমুগ্ধ কবিত্ব সুষমা,

মধুকর এ ছলনা জানিল না যদি

নিরদয় মহীতল নাহি করে ক্ষমা। 

তথাপি অবোধ চিত মহাব্যাস্ত হয়, 

গরলের অন্বেষণে নাহি তার ভয়! 


পদবিন্যাস- কখকখগঘঘগ চছচছজজ। 


 











শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৩

একটি বেদনা

 

একটি 

বেদনা- বিজরি চমক হানিয়া 

অমরাবতীর দামিনীপুঞ্জ ছানিয়া 

জীবনকুঞ্জে অনল দিয়াছে আনি-

নবপ্রেমে; জানি নিঠুর বজ্রপাণি-

তুমি চরাচরে রাজো পুষ্পধনুর্ধারী-

মায়ার মুগ্ধ, অন্ধ; চিনিতে নারি। 

সুধা ভ্রমে- (নবপ্রেমে)

গরলে তিয়াস, জ্বলে প্রাণ। 

তুমি আছ-

হয়ে মধু-বসন্তে বনে কুহুতান,

ভরা-বরষায় তটিনীর টান-

তুমি। মরা-গ্রীষ্মের- 

চন্দ্রমথিত জ্যোছনার বুকে ভাসিয়া-

রাত্রিশীতল সমীরে- বিহ্বল প্রেমাতুর। 

কাহারো দুয়ারে প্রদীপ গিয়াছে নিভিয়া,

রোদনে তাহার বিবাদী সকল সুর-

ইন্দ্রসভায় যেন; 

সচকিত কত শিঞ্জন যত থামিল। 

সহসা বরষা নামিল, 

কেহ জানিল না বটে 'কেন'।  

(ইন্দ্রসভায় যেন!) 

সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

তালে তালে দোলে মুণ্ডমাল!

 

পদে প্রলয় প্রসারি চলে ধনী দিঙমণ্ডল ছায় চিকুরজাল!

করে কপাল-খড়গধারিণী, তালে দোলে তালে মুণ্ডমাল!

 

ঘোররবা অতি করালবদনা তারা বিগতাম্বরা রুধির গায়,

নৃত্যের তালে নাশে দানাদলে, হেরে নটরাজ মুরছা যায়

 

বক্ষে ধরেছে মোক্ষের ধন; আরূঢ়া শকতি, আসন কাল

বন্দনা গাহে প্রেত অগণন, তালে তালে দোলে মুণ্ডমাল!

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১

কাল-হৃদে কালো-পদে

 

কাল-হৃদে কালো-পদে আ মরি কি রূপ ক্ষরে,

যেন শ্রাবন-সঘন মাঝে শত চন্দ্রজ্যোতি ঝরে।

 

নিরমল মুখ চন্দ্রে, হাস্যময়ী নাদ-মন্দ্রে,

উল্লসিতা ছন্দে ছন্দে রঙ্গে রঙ্গে নৃত্য করে।

 

কপাল-কৃপাণ-ধরা, বর-অভয়-করা,

তারো গো বিশাখে ত্বরা, ভয়হরা ভবঘোরে।

 

 

দেখি কখন সুরারোপ করতে পারি।

 

 

 

 

 

 

 

 


সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১

তুমি আসো নাই

 

যে কথা হয়নি বলা তোমারে

আহত পন্নগের মত চলিতেছি পথস্রোত, আশ্রয় আশে

তটিনীতীর, বিটপীমূলে, কন্দর অন্ধকারে

শতাব্দীর কণ্টক-মণ্ডিত অচেনা অজানা ঘাসে

বক্ষ পাতিয়া আমি চলিতেছি এক কল্প-কাল,

তুমি আসিবে বলে গোপন অভিসারে প্রিয় হে

আমারে বাঁধিতে আমি বুনিয়াছি জাল,

কত না কথার ছলে।

তবু যাহা হয়নি বলা তোমারে

তাহা বলিব বলে পৃথিবীর অন্তরে, নিরন্তর কল্লোলে

বধির ব্যধি সাধিয়াছি কর্ণপটহে, আমি করিয়াছি ধ্যান

বাঁধিয়া হৃদয়দ্বার কঠিন মন্ত্রবলে বিগতমোহে

হইয়াছি প্রস্তরের প্রায়

তুমি আসো নাই।

 

আকাশ গিয়াছে ভাসি অন্য কোন আকাশগঙ্গায়,

তারাদল ডুবিয়াছে, আঁখিতারা অহনিশি অধীর চঞ্চল

জোয়ারে ভাসিয়া যায়- তুমি আসো নাই।

 

 

 

 

 

 

 

 

 


শুক্রবার, ৫ নভেম্বর, ২০২১

লোহিত-বিকচ-নেত্রী

 

রুধিরতৃপ্ত কৃপাণ ঐ দখিন করে করালিনী

লোহিত-বিকচ-নেত্রী আসবভরে

ঘোরা, মুণ্ডস্রজা, নৃকর-বসনা;

গজগমনা দনুজ-তনু-দলনী সৃজন-প্রলয়-কর্ত্রী

অহো! লোহিত-বিকচ-নেত্রী!

 

কালী কালী মহাকালী, কাল-ঈশ্বরী, মহামায়া

মহালক্ষ্মী, মহাদুর্গে, চামুণ্ডে, শিবে হরজায়া

সংহারলীলা-হোত্রী

অহো! লোহিত-বিকচ-নেত্রী!

 

 

 

 

 

 


বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১

এ কথা তো কভু শুনিনি

 

হর-উরসিজ নীল-পঙ্কজ, হের মন, কার কামিনী?

বিগলিত-কেশী, শশীমুখে হাসি, নরকপাল-মালিনী!

 

বরাভয়করা, অসি-শির-ধরা, গায়ে রুধিধারা, মরি রে!

ও রূপে মজেছে ত্রিপুরারি শিব, পদতলে আছে পড়ি রে!

 

মজে ভব-পঙ্কে, বিশাখ আতঙ্কে, কৃপাপাঙ্গ মাগে জননী,

ডাকিলে সন্তানে, মায়ে গো না শোনে, এ কথা তো কভু শুনিনি!   


সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১

ভরসা

 

এই হরষে মগ্ন, বিষাদে ভগ্ন, তাপিত, রুগ্ন শরীরে,

করি বিষপান, বাঁধি মিছে গান, অন্তরে জ্বলে মরি রে!

 

যা দিয়েছে বিধি নইরে তুষ্ট, হৃদয় নিয়ত বাসনাপুষ্ট,

ক্রমশ হয়েছি বিষয়ক্লিষ্ট, তবু তাই নিয়ে প্রাণ ধরি রে!

 

রইতে দু’আঁখি, আলোক না দেখি,

দিয়েছে কে ফাঁকি আঁধারে?

ভাবি দিয়েছে কে ফাঁকি আঁধারে!

 

যা কিছু আশায় ভেসে যাই স্রোতে, পথ হতে পথে,

এইবেলা দেখি এই আশাহতে, ভরসার কেহ নাহি রে!

 

 

 

 

 

 


কত কাল?

  কত কাল আর এতটা অন্ধকারে এত সব অশ্রাব্য চিৎকারে চারপাশ বদ্ধ করে নির্বিবাদে থাকি? কত রাত দয়ানিধি অলক্ষ্যে সুর বাঁধি পড়ে আছি অচঞ্চল স্বকৃ...