যারা politics বোঝেন, তারা বোঝেন nothing is precisely appolitical! 'অসির চেয়ে মসী বড়' বোঝাতে গিয়ে মসীর মাহাত্ম্য যে খাটো করা হয়নি- সে কথা অনুর্বর মস্তিষ্কে ঢোকে না!
যা মনে আসে লিখি। ভাল লাগলেও লিখি, না লাগলেও লিখি। কারো ভাল লাগা না লাগার ওপর আমার কোন ঔৎসুক্য বা অভিমান নেই!
যারা politics বোঝেন, তারা বোঝেন nothing is precisely appolitical! 'অসির চেয়ে মসী বড়' বোঝাতে গিয়ে মসীর মাহাত্ম্য যে খাটো করা হয়নি- সে কথা অনুর্বর মস্তিষ্কে ঢোকে না!
চটির তলায় পিষে যাচ্ছি।
রাস্তা-ঘাট বাজার-হাট সব সফেদ চটির তলায়
ধুলোয় মাখামাখি, রক্ত জমে আঠা হয়ে গেছে
চটির ফিতায়! তবু কথার চকমকি
থামে কৈ?
তেতিয়ে উঠেছে চিতায় কার অনলধ্বজ!
আঁধারে শেয়ালের দল ওঁত পেতে জানি।
আমি তো চিনিনে জোড়া ফুল-পাঞ্জা-পঙ্কজ;
শুধু আমি চটির তলায়, সুরাসুর-কিন্নর-নর-মুনি-
আর কোটিকোটি বুদ্ধিবেচা বিদূষক-পূজিত
চটিযুগলতলে আমার হাড়মাংস থেঁতলে যাচ্ছে,
চটির পথচলায়!
শেয়ালেরা ঘাপটি মেরে আছে।
শাঁকচুন্নিরা শঙ্খ বাজায়।
যদিও রক্তে এখন বিষজ্বালা ঢের,
তবু জানি না কেন হাসিও পাচ্ছে।
সকল বিপর্যয়ের ভীড়ে,
শ্রাবণের প্লাবনে, বৈশাখের ঝড়ে-
আমি চেয়েছি নিছকই বেঁচে থাকতে।
পথের মাঝ বরাবর, বরাবর অলঙ্ঘ্য অচল
-আসে, কথার তোড়ে নড়ে বক্ষপিঞ্জর-
আমি চেয়েছি মূক পাথরের মতন স্থবির হতে,
অথচ অগ্নিগিরির মতন ফেটে হয়েছি চৌচির,
হৃদয়কন্দরে লাভার গন্ধ ভাসে!
এ কান্তারে কে তারে করুণা-কাতর জনে?
কলুষ-কঠিন ভার অচল স্কন্ধে তার
অন্ধকার-ভয় মনে?
কুটিল-কণ্টক যত কল্মষ কলঙ্ক ক্ষত
সর্ব-অঙ্গে কত রঙ্গে হুতাশন-শর হানে!
ভবরোগ কে হরিবে? স্নেহছায়ে কে রাখিবে?
কোলে তারে কে টানিবে- বিরলে বিশাখ ভনে।।
পাতাল ফুঁড়ে বেরুনোর পর
আমি কেবল আকাশই দেখতে চেয়েছি।
মাটি ছাড়িয়ে মাথা উঁচু করতে গেলে
দেখেছি মাটির টান কেমন পা টেনে ধরে
তবুও আমি আকাশে ভর করে দাঁড়াতে চেয়েছি।
আজ আমি আকাশ
আর মাটি সব প্লাবনে তলিয়ে গেছে।
আজ আমি আকাশ
মাটি সব আমারই ছায়ার গ্রাসে
মিলিয়ে গেছে অবলীলায়!
বিঘৎ বিঘৎ পা ফেলে, সন্তর্পণে
তুমি সামনে এগিয়ে আসো,
মহাকাল, তোমার আভাস পাই।
রঙিন ছবিগুলো সাদাকালো হয়ে ওঠে,
অনাগত দিন কেমন ধোঁয়ার চক্রব্যূহ গড়ে
সামনে দাঁড়াতে চায়, প্রবল অকবিত্ব-সংকটে-
হাতড়ে মরি প্রদীপ নেভা ঘর, এলে কি!
মহাকাল, তোমার আভাস আমি পাই।
এ বড় বিদিকিচ্ছিরি পরবাস, বিচিত্র দিনাতিপাত,
বালির বাঁধ ভাঙার মতন সময়ে নিঃশেষ হয়
একটি একটি কুফলপ্রসূ দুঃখদ প্রতীপ প্রহর;
এখন দমকা হাওয়া বয়, বজ্রনিনাদঘন বিজন রাত-
মহাকাল, তোমার আভাস আমি পাই।
থাকা না থাকার মাঝখানে আছি বন্ধু নিয়তির স্রোত কোথায় ভাসালো জানি না, দাঁড় টেনে মোছা কপালের স্বেদবিন্দু স্লোগান তুলেছে- 'ভেসে যাওয়া আর মানি না!' হৃদয়ে এখনো তোলপাড়, গালে টোলপড়া কারো বেদনা, কবিতাকে বলি তাই থাক, তুমি গান হয়ে আর কেঁদো না!
২০১৮ সনের কোন এক সময়ে লেখা।
অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...