বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩

কালিকে মহাকালিকে


কালিকে মহাকালিকে ভবানী ভবতারিণী। 

মহিষমর্দিনী মুণ্ডমালিকে ত্রিলোকপালিকে শিবানী।। 


দনুজতনুদলশোণিতরঞ্জিতা ঘোরাননা অট্টহাসরতা 

লোল রসনা লক লক, ভীমা, 

শমনদমন করালিনী।। 


নৃকরভূষিতা নাগবিজড়িতা চন্দ্রশোভিতা- চিকুরদামে গাঁথা, 

চন্দ্রহাসধরা ভীষণা তারা, ওমা- 

প্রসীদ প্রসীদ বিশাখজননী।। 


রচনা ও সুর

২২ জুন, ২০২৩। 


মেঘমল্লারে বাঁধলাম। 

মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০২৩

আমার মাঝির নাইরে দেখা

 

এক শ্যামলা নদীর ঘাটের ধারে 

নওল ফুলের পাঁপড়ি ঝরে, 

উজান বাতাস বৈঠা নাড়ে;

আমি তরীর ওপর একা, 

মাঝির নাইরে দেখা! 


চাঁদ উঠেছে দখিন কোণে, 

ঝড় উঠেছে সান্ধ্য ক্ষণে,

মাঝির আমায় নাইরে মনে, 

আমি ভাসব জলে একা! 


ওপারে কার পিদিম জ্বলে

পড়ছে ছায়া উতল জলে 

ঝাপটা লেগে যায় সে মুছে, 

ঢেউয়ে অমন আঁকা!  


আমার মাঝির নাইরে দেখা। 


২০ জুন, ২০২৩। 

 

বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩

তরুবরের উদয়

পাথরের বুক চিরে 

এই মূক অন্তরে দিয়ে কথা, 

তুমি উদয় হয়েছ ধীরে। 


ছায়াহীন এই মরুপ্রায় সভ্যতা, 

ইটের পাঁজরে হাহাকারে মরে গান, 

তুমি এসেছ এখানে পথ ভুলে তরুবর, 

আমরা এখন কুঠারে দিচ্ছি শান। 


আকাশের কোল ঘিরে, 

সূর্যকিরণে রেঙেছে তোমার পাতা, 

ভরো হে পাখীর নীড়ে। 


তুমি উদিত হয়েছ ধীরে।। 


 

বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০২৩

সুন্দরতম সঙ্গীত

সুন্দরতম সঙ্গীতটি আমার মরমে বেজে গেল নিভৃতে

নীলাম্বুধির তট ছুঁয়ে, নীলাদ্রির উষ্ণীষে বুলিয়ে হাত, 

তার সুঠাম গাত্র চুঁয়ে, অরণ্যের অগোচরে জ্যোছনায়

যেন অতুল রাত- বসন্তে প্রেমামোঘ-সুধা-নিসর্গ-বল্লরী- 

অঙ্গে অঙ্গে জড়িয়ে যায়, যায় যায়, চলে যায়, সে যায়, 

সে ফেরে মদমত্তনেশাহত, ভোরের অরুণকিরণমঞ্জরী-

সে আমার।  


সে আসে 

আবারও আসে, আবারও সে যায়। 


 

মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০২৩

মানুষ হবার প্রেরণা

 

মানুষ হবার প্রেরণা জাগলে 

মানুষেরা অচেনা হয়ে ওঠে। 

‘এ কোন মানুষ, ও কোন মানুষ’ 

হরেক রকমের ভীড়ে সব অস্পষ্ট 

অন্ধকারে, নির্বিবাদে নিরঙ্কুশ- 

শূন্যতার বর্বগ্রাসী সংকটে 

ক্রমশ মিলিয়ে যেতে হয়। 


মানুষ- 

তোমাকে জানা সহজ নয়। 

সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩

বর্ষার অপেক্ষায়

 

আমি জানি অনেকে হতাশ হয়ে যায় 

যেমন আমিও কদাচিৎ মুষড়ে পড়ি

যখন প্রথম বর্ষার জলে ব্যাঙের গর্তে বন্যা আসে 

অথচ এদিকে শুকনো পদ্মঝিল- এখনো অপেক্ষায়। 


কিন্তু দেরীতে হলেও পদ্ম ফোটে, 

কেউ না জানুক, আমি তো জানি; তবু কি শঙ্কায়-

নেতিয়ে পড়ি ভেজা পৃষ্টার মতন-

যেখানে আরও কত লেখার বাকী।  

রবিবার, ৪ জুন, ২০২৩

জাহ্নবী-জটা-তরল-ভঙ্গ

গলে-ভুজঙ্গ, ভস্ম অঙ্গ, 

করে ত্রিশূল, করে কুরঙ্গ, 

গিরিজাসঙ্গ রাজে

চরণে শরণ কোটি অনঙ্গ,

মানব দানব পশু বিহঙ্গ

নিখিল ভুবন মাঝে, 

শিব শিব গীত বাজে।। 


 

তীরে ফেরা

  অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...