থাকা না থাকার মাঝখানে আছি বন্ধু
নিয়তির স্রোত কোথায় ভাসালো জানি না,
দাঁড় টেনে মোছা কপালের স্বেদবিন্দু
স্লোগান তুলেছে- 'ভেসে যাওয়া আর মানি না!'
হৃদয়ে এখনো তোলপাড়, গালে টোলপড়া কারো বেদনা,
কবিতাকে বলি তাই থাক, তুমি গান হয়ে আর কেঁদো না!
যা মনে আসে লিখি। ভাল লাগলেও লিখি, না লাগলেও লিখি। কারো ভাল লাগা না লাগার ওপর আমার কোন ঔৎসুক্য বা অভিমান নেই!
থাকা না থাকার মাঝখানে আছি বন্ধু
নিয়তির স্রোত কোথায় ভাসালো জানি না,
দাঁড় টেনে মোছা কপালের স্বেদবিন্দু
স্লোগান তুলেছে- 'ভেসে যাওয়া আর মানি না!'
হৃদয়ে এখনো তোলপাড়, গালে টোলপড়া কারো বেদনা,
কবিতাকে বলি তাই থাক, তুমি গান হয়ে আর কেঁদো না!
সুলতানা রাজিয়া
ভাত হাইউনা আজিয়া?
হ্যান গরি ক্যা চ'র!
ওম্মারেম্মা, শতান মাইয়া!
আঁত্তে লাগের ডর!
দুইজ্জা উডি পোইরো' পাড়ত
তোঁয়ারে চাইবাইল্লাই,
ঘুম্মা'ন ছাড়ি দুঁ'রি আইলাম
জানো না কিল্লাই?
এহন ওবা মেজাজ দেহৌর
ঢং গরদ্দে হতো!
দেক্ষুম ত আঁই জামাই ক্যান প'
অইবু না আঁর মতো!
ভাগাড়ের মরা খেয়ে অন্ত্রে বর্জ্য বায়,
পুরীষ উর্ধ্বগামী, অন্তরে লভিয়া ঠাঁই
নানাবিধ তত্ত্ব রূপে উদগত যবে,
আচম্বিতে মেট্রোরেল মহা কলরবে
উদিলা পত্রিকামাঝে বিজ্ঞজনে হাঁকি
কলিকাতা রঙ্গালয়ে আর কি রঙ্গ বাকি!
না মানি বিধির বিধি গুণনিধি সবে
আলিঙ্গনান্দোলনে বঙ্গোদ্ধার করে।
বাঙালীর বাঙালিত্ব এ হেন গৌরবে
ভাগাড়ের মরা খেয়ে ভাগাড়েই মরে!
আমার ঘরে নিভলে বাতি
তোমার ঘরও অন্ধকার
তবু
দুই দুনিয়ায় বসত মোদের
ভাবলে কেমন চমৎকার।
মনমাঝারে নিঝুম দেউল
বাদলা রাতে সারং গায়,
আমার বাড়ির ছ্যাঁদা চালা
বৃষ্টি ঝরে তোমার গায়।
এক জীবনের দুই কিনারে
এক তরীতেই পাল তুলি,
এক সুরেতেই বাঁধতে চেয়ে
দুই পরাণের গানগুলি
আজ
ভাঙা বাঁশির মন ফোয়ারায়
বুকফাটা কার চোখের ধার,
দেখতে কি পাও চোখ খুলেও
কার দু'চোখে ব্যথার ভার
বইতেও গিয়ে থমকে গেছে
তোমার হাসির উচ্ছাসে,
বোঝাই আমি কেমন করে
সব কথা এক নিঃশ্বাসে।
ডাকছি আমি, ঝড় উঠেছে, এবার মুখটা তোলো।
বাজ পড়েছে, বুক কাঁপে মা, একটু দরজা খোলো।
পছিম কোনে কালচে মেঘে
চাঁদ দিয়েছে ঢেকে,
আমার অন্ধকারে ভয় করে মা,
আমায় একলা রেখে-
কেমন করে দোর দিয়েছ, মায়ার খিড়কি সেঁটে?
বুঝিনি তা খুলবে কিসে, কোন সাধনায় খেটে।
ভরা হৃদয় বিরান করে ঝড়ের রাতে একা,
জগন্ময়ীর রূপটি কেমন, খুব গিয়েছে দেখা!
মরব বলেই জন্মেছিলাম এই বুঝেছি সার,
ছেলের মরা মুখেই বাঁচুক মায়ের অহংকার!
দিনশেষে ভর সন্ধ্যেবেলায় বাড়ি ফেরার তাড়া
ভাত চড়ালে, চচ্চড়িতে তোমার খুন্তি নাড়া
শুনব বলে হন্তদন্ত জোর কদমে ছুটি,
তোমার ভাতের চালের সাথে আমিও কেমন ফুটি,
দেখতে যেন পাওনা তুমি উনুন আঁচের ভানে,
সম্বরাটার ঝাঁজের সাথে ছ্যাঁত করে এক টানে
আমায় তুমি ডাক পাঠালে হেঁশেল ঘরে এসো,
এই জনমের ঘরকন্নায় এমনি ভালবেসো!
অতঃপর কবিত্বশূণ্য, আমি বেশ আছি,
আমার ঘরে বাঙ্ময় মৃত শব্দের বোঝা,
তারই মাঝে গুচ্ছের কান্না চেপে ধরে
বুকের অতলে আজও নিঃশব্দে খোঁজা-
শুধু তোমাকেই!
অচঞ্চল শালগ্রামের মত যেন দেউল মঞ্চে
স্তব্ধ হই, গায়ে পরে প্রসাধন চন্দনের ছিটা,
তুষ্ট নই, তবুও মূক বলে ধরি মুমুক্ষের বেশ,
বোঝাই- গরল বা অমৃত- সমভাবে মিঠা,
বৈরাগীর কাছে!
এই অপ্রতিহত মিথ্যের স্রোতে অরুণিমা,
আমি অস্তাচলে আটকে গেছি একা,
বলেছিলাম-
আসছে বোশেখ এলে বছরটা ঘুরে
বাজারের ফর্দতে পরিচিত লেখা
আমি দেখব বটেই!
হল না কিছুই!
অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...