মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আবার কবিতা লিখব

মাঝেমাঝে ইচ্ছে করে- আমি আবার কবিতা লিখব,
আজকাল বহু অজপ্রসূতেরাও দার্শনিক হয়, কখনো কবিও;
আমাকে যে দলেই ফেলো- আমি আবার কবিতা লিখব!

চায়ের টঙে জমাট খিস্তিখেউড়ে গুণ্ডাগুলো গণতন্ত্র নিয়ে গেলো,
ভণ্ড, বিদূষক, কলহকাতর ভাঁড়েরা খেলো বিপ্লবের সমাজতন্ত্র,
মিস্টিসিজম ম'লো ধর্মের আস্তাকুড়ে, সমহারে মূর্খেরা নাস্তিক হল!
শত শত, শত শত।

সৌন্দর্য্যেরও যে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী-
সে কথা ক'জন মানে?

শত শত সেক্সিস্টরা রোমান্টিসিজমের ডিগ্রী পেয়েছে,
রবি ঠাকুরের কবিতা জননাঙ্গ অনুত্তেজক বিধায়
ধ্বজভঙ্গের লিস্টে পেলো সম্মানের সংযোজন,
আমার আর ভরসা কোথায়!
তবুও লিখব ভাবি!

সৌন্দর্য্যেরও যে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী!

চারিদিকে অকালপক্ব নাগলিঙ্গমের গন্ধে বসে ভাবতাম- 
এত উচ্ছন্নোৎসবের ভেতর কবিতা বমির উদ্রেককারী-
আজ কেন যেন মনে হচ্ছে- সে হয়ত উপশমও দেয়।
সে তোমরা যা-ই বল, আমি আবার কবিতা লিখব!

আবার কবিতা লিখব!
কবিতাটি ৩৭৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৬/০১/২০১৮, ১১:২৫ মি:

ইদানীং এর কড়চা

চারিপাশে এত বুজর্গ লোক
আমি আনপড় এথা বেমানান!
বাবুদের সুখ ভোদকার মুখে
ভোদাইয়ের বিড়ি সুখটান!

অহো!

খাসা লিখচে গো ভাতঘুম সেরে
কিসে জগতের দুখ বিমোচন! 
হাভাতেরা সব ফুটো থালা নেড়ে
রচে বাবু টাবুদের বিনোদন!

মহাশয়!

আমি মুরুক্ষু লোক, ফেসবুকে বড় অসহায়,
জ্ঞানের দাওয়াই আর কত খাব
বদহজমে মরি, বাঁচা দায়!
কবিতাটি ১২৫ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৬/১২/২০১৭, ১০:১৪ মি:

বাঁচার বিকার

অন্ধকারে ঘুম ভেঙে যায়, কপালে কার চুমো?
স্নেহের স্বরে কে বলল গো, 'খোকা এবার ঘুমো'?

আর জানি নে কার জননী কার কোকেতে দিলি,
মাগো জনম দিয়ে জনম ভরে আকুলিবিকুলি.....

এই ভবের দেহে বিষের বিভব মিশিয়ে দিয়ে তারা,
তুই মাতৃনামে গরবিনী, আমি যে কোল-হারা!

তাতে কি আর যায় আসে মা, আমি আমার মতই মরি,
আমিও তোকে দেখাতে চাই, মরতে কি ভয় করি!

আয় করালী, মুণ্ডস্রজা মৃত্যু মাতম নিয়ে,
নইলে এ ঘুম ভাঙবে না আর, দরজাকবাট দিয়ে....

পড়েই আছি, - বাঁচার বিকার আঁকড়ে ধরে দেহে,
যমের আমি নাম শুনিনি, যমটা আবার কে হে!
কবিতাটি ৯৯ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:২৭/১১/২০১৭, ০৯:৫৪ মি:

সুরমা নদীর স্রোত

তোমায় দেখি ঝাপসা চোখে ভোর রাতে,
কুজ্ঝটিকার অন্তরালে হাত রেখেছ কার হাতে......
ঝঞ্ঝা বাতাস ঝটকা লাগে খিড়কি নড়ে একলা ঘর,
তোমায় দেখি দাঁড়িয়ে আছো সুরমা নদীর স্রোতের পর.....

প্রকাশের সময়:২০/১১/২০১৭, ১৭:২৩ মি:




সঙ্গীতে রূপান্তরিত রূপটি জুড়ে দেয়া হল

ছিলিমের বিপ্লব

আরও বৈপ্লবিক গাঁজার চাষে ধানের ক্ষেত মাড়িয়ে দেবার সাধ
গুড়েবালি, কপালে ব্যালট সিল, মহাশয় এত অসাম্য গরমিল-
ভাঙব বলেই আমরা কলকে ও কলম এক করে নিলাম।
ফলাফল- এক পাখি হাজার ঢিল, একটাও অব্যর্থ নয়!

যারা বোঝে না কবিতা ও সবজিওয়ালার হাঁকে সুরের কি ফারাক,
তাদের আজ সুসময়- লেকচার দিয়ে ভাগারে মরার!

মহাশয়, ছিলিমটা কৈ?
কবিতাটি ১০৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:১০/১১/২০১৭, ১৩:০০ মি:

বেঁচে আছি ডাক্তার

বেঁচে আছি ডাক্তার,
আপাতত হার্টে স্টোনটাই ব্যথা,
গলব্লাডারেও কিচ্ছু নেই-
অস্তিত্বের অনিত্যতা ছাড়া!

আমি সুস্থ আছি।

নেফ্রোলজিস্ট দেখিয়ে এলুম,
কিডনির ফাঁকে নস্টালজিয়া জমে গেছে,
শত রেচনেও আটকে থাকে সব!
এক প্রস্ত অস্বস্তির দাওয়াই দিলে, 
বললে মাথায় মৃত্যুর খাঁড়া-
পড়তে দেরী আছে,
এক্ষুণি মরা তো অসম্ভব!

কতটা দুর্ভাগ্য বলুন?
কবিতাটি ১২৯ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:২৮/১০/২০১৭, ১৭:২৫ মি:

আমার শিক্ষাহীনতা

বারংবার অকৃতজ্ঞ কৃতঘ্নদের সুযোগ দিয়ে গেছি
আরও আরও অকৃতজ্ঞ হবার।
দোষ তো আমারই বলো?
জিঘাংসুদের দিয়েছি জুগুপ্সার ভার। অতি উদার-
হতে গিয়ে ছুরির ফলায় দিয়েছি একটা মাত্র হৃদয়
বারবার, অসংখ্যবার।
আমার আজও শিক্ষা হল না কেন?

আমি জানি কে আমার পেছনে আছে উদ্যতমুষ্টি,
আমারই প্রতাপে কে দেবে অর্ধচন্দ্রদান,
কার মুখে অমৃতফোয়ারা, শরীরে গরলপুষ্টি,
হলাহল-ফনী কে আমার কদলী-দুগ্ধে বাড়ে,
কার একান্ত চিন্তায় আমারই সংহার,
আমি চিনি হাড়েহাড়ে!

আরও আরও নীরবতায় অগণিত বার
আমি দিই বিনয়ী সম্ভাষণ। হুতাশন-
ত্বকীয় রন্ধ্রে পুরে, পরম স্বকীয়তায়
আমি সয়ে যাই বিষবাক্য শাণিত তূণীর,
দ্বিধায়, অনেক দ্বিধায়, আমি এমনই বিধায়-
এরা আমাকে গিলে খায় ছিঁড়ে ছিঁড়ে!

আমার আজও শিক্ষা হল না কেন?
কবিতাটি ১১৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:১৪/১০/২০১৭, ১৭:৩৭ মি:

তীরে ফেরা

  অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...