মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

কিছু গাইবে কি?


অবশ্য যদিও এখন বরষা নয়,
অবসন্ন- অনভিপ্রেত পৌষ দ্বিপ্রহর,
তবুও কথা ছিল মল্লার গাওয়ার।
কথা ছিল- কিন্তু মেঘও কেটে গেছে,
আমার আকাশ জ্বলে রৌদ্র প্রখর-
কথা ছিল- কিছু গাইবে কি?

এখনো নিষাদে বাঁধা বিষাদের তার,
যদিও অনেক আগে থেমে গেছে ঝড়!

মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৮

মায়ার সুতলী


কি যতনে শ্যামা পরাণ-পুতলী
বেঁধেছিস দিয়ে মায়ার সুতলী-
ছিঁড়িতে না পারি বহু বাসনায়
অদূর-অস্ত, আঁধার ঘনায়,
সদা মনে ভয়- কানায় কানায়
বিষয় গরলে মরি,
বলি কি গো তারা ভবভয়হরা,
পাব কি চরণতরী?

হৃদয়ের আশ মেটে না, মেটে না,
আলো বিনে আর পুষ্প ফোটে না,
তমসার মাঝে হাতড়ে বেড়াই,
কিরণ কণিকা- নিঃশেষে নাই,
ঘুরিয়া মরি গো পাগলের প্রায়-
কি আশায় প্রাণ ধরি?
নাটাই রেখেছ শ্রীকরকমলে,
আমি তো খেলার ঘুড়ি!



মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

আবার কবিতা লিখব

মাঝেমাঝে ইচ্ছে করে- আমি আবার কবিতা লিখব,
আজকাল বহু অজপ্রসূতেরাও দার্শনিক হয়, কখনো কবিও;
আমাকে যে দলেই ফেলো- আমি আবার কবিতা লিখব!

চায়ের টঙে জমাট খিস্তিখেউড়ে গুণ্ডাগুলো গণতন্ত্র নিয়ে গেলো,
ভণ্ড, বিদূষক, কলহকাতর ভাঁড়েরা খেলো বিপ্লবের সমাজতন্ত্র,
মিস্টিসিজম ম'লো ধর্মের আস্তাকুড়ে, সমহারে মূর্খেরা নাস্তিক হল!
শত শত, শত শত।

সৌন্দর্য্যেরও যে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী-
সে কথা ক'জন মানে?

শত শত সেক্সিস্টরা রোমান্টিসিজমের ডিগ্রী পেয়েছে,
রবি ঠাকুরের কবিতা জননাঙ্গ অনুত্তেজক বিধায়
ধ্বজভঙ্গের লিস্টে পেলো সম্মানের সংযোজন,
আমার আর ভরসা কোথায়!
তবুও লিখব ভাবি!

সৌন্দর্য্যেরও যে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী!

চারিদিকে অকালপক্ব নাগলিঙ্গমের গন্ধে বসে ভাবতাম- 
এত উচ্ছন্নোৎসবের ভেতর কবিতা বমির উদ্রেককারী-
আজ কেন যেন মনে হচ্ছে- সে হয়ত উপশমও দেয়।
সে তোমরা যা-ই বল, আমি আবার কবিতা লিখব!

আবার কবিতা লিখব!
কবিতাটি ৩৭৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৬/০১/২০১৮, ১১:২৫ মি:

ইদানীং এর কড়চা

চারিপাশে এত বুজর্গ লোক
আমি আনপড় এথা বেমানান!
বাবুদের সুখ ভোদকার মুখে
ভোদাইয়ের বিড়ি সুখটান!

অহো!

খাসা লিখচে গো ভাতঘুম সেরে
কিসে জগতের দুখ বিমোচন! 
হাভাতেরা সব ফুটো থালা নেড়ে
রচে বাবু টাবুদের বিনোদন!

মহাশয়!

আমি মুরুক্ষু লোক, ফেসবুকে বড় অসহায়,
জ্ঞানের দাওয়াই আর কত খাব
বদহজমে মরি, বাঁচা দায়!
কবিতাটি ১২৫ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:০৬/১২/২০১৭, ১০:১৪ মি:

বাঁচার বিকার

অন্ধকারে ঘুম ভেঙে যায়, কপালে কার চুমো?
স্নেহের স্বরে কে বলল গো, 'খোকা এবার ঘুমো'?

আর জানি নে কার জননী কার কোকেতে দিলি,
মাগো জনম দিয়ে জনম ভরে আকুলিবিকুলি.....

এই ভবের দেহে বিষের বিভব মিশিয়ে দিয়ে তারা,
তুই মাতৃনামে গরবিনী, আমি যে কোল-হারা!

তাতে কি আর যায় আসে মা, আমি আমার মতই মরি,
আমিও তোকে দেখাতে চাই, মরতে কি ভয় করি!

আয় করালী, মুণ্ডস্রজা মৃত্যু মাতম নিয়ে,
নইলে এ ঘুম ভাঙবে না আর, দরজাকবাট দিয়ে....

পড়েই আছি, - বাঁচার বিকার আঁকড়ে ধরে দেহে,
যমের আমি নাম শুনিনি, যমটা আবার কে হে!
কবিতাটি ৯৯ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:২৭/১১/২০১৭, ০৯:৫৪ মি:

সুরমা নদীর স্রোত

তোমায় দেখি ঝাপসা চোখে ভোর রাতে,
কুজ্ঝটিকার অন্তরালে হাত রেখেছ কার হাতে......
ঝঞ্ঝা বাতাস ঝটকা লাগে খিড়কি নড়ে একলা ঘর,
তোমায় দেখি দাঁড়িয়ে আছো সুরমা নদীর স্রোতের পর.....

প্রকাশের সময়:২০/১১/২০১৭, ১৭:২৩ মি:




সঙ্গীতে রূপান্তরিত রূপটি জুড়ে দেয়া হল

ছিলিমের বিপ্লব

আরও বৈপ্লবিক গাঁজার চাষে ধানের ক্ষেত মাড়িয়ে দেবার সাধ
গুড়েবালি, কপালে ব্যালট সিল, মহাশয় এত অসাম্য গরমিল-
ভাঙব বলেই আমরা কলকে ও কলম এক করে নিলাম।
ফলাফল- এক পাখি হাজার ঢিল, একটাও অব্যর্থ নয়!

যারা বোঝে না কবিতা ও সবজিওয়ালার হাঁকে সুরের কি ফারাক,
তাদের আজ সুসময়- লেকচার দিয়ে ভাগারে মরার!

মহাশয়, ছিলিমটা কৈ?
কবিতাটি ১০৮ বার পঠিত হয়েছে। 
প্রকাশের সময়:১০/১১/২০১৭, ১৩:০০ মি:

তীরে ফেরা

  অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...