শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৯

মানুষের ফুসফুস

কতটাহৃদয়পুড়েগেলেটেরইপাইনা,
দু,দিনধরেআমাজন.....
আজআবারকেষ্টঠাকুরেরভজনশুনতেহবে,
বরাতেতালেরবড়াখানবিশেক,
হরিলুটেরকলাএকডজন....
ব্যাপকধম্মোহবে... 

রক্ষাকরোজীবনবল্লভপ্রাণধনগোবিন্দআমার
প্রাণপণকরেনরজনমহলনাউদ্ধার..
চুলতারকবেকারবিদিশার’... 
তত্ত্বমোক্ষনকরেবিবিধসাহিত্যপ্রবচন...
ঝেড়েকেশেটিঋতুএমনিকাটাই। 

তোমারনাটাই-
হাতেজনার্দ্দনরাধামাধবআমিঘুরি,
প্রপঞ্চহতেপ্রপঞ্চান্তরেতামাকপোড়াধূম্রলোচনে..
ডাকিএথেরোক্লেরোসিস
এথেনাগ্রীস
করবিমুক্তআর্টেরি....
নরাধমওবাঁচতেচায়। 

পৃথিবীরফুসফুসজ্বলেযায়...
মানুষেরফুসফুসেরখবরওরাখেনাকেউ

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৯

আঁধার বিনুনি

এখনো আমার মনের কিনারে দাঁড়ায় অনেক গান,
এখনো ইমন মুর্ছনা আনেঝাঁপতালে বাঁধে তান। 
আকাশে এখনো আলো ছায়া খেলা
মেঘে মল্লার দেয় হানা,
নীড়হারা পাখি দিকহারা বায়ে
কাঁপায় ঝড়ের ডানা।
তীরে জেগে ওঠা কাশফুল দেখে থমকে দাঁড়ায়নদী,
এমনি করে কি আমাকেও তুমি দেখে থাকো নিরবধি?

নিয়তির সাথে নিঠুর দ্বন্দ্বে কত গল্প হলনা লেখা,
পূর্ণিমা রাতে শাওনী আকাশকিছুই গেল না দেখা।
গভীরে আমার চোরা স্রোত বয়
আমি একাই গেছি গো তলিয়ে।
কবেকার তুমি আজো রয়ে গেছ
আঁধার বিনুনি দুলিয়ে

এখনো ক্লান্ত ঘুমের অতলে হাতড়াই কারো হাত,
এখনো স্বপনে কার যে নয়নে আমার নয়নপাত...
তার কোন ব্যাখ্যা-ই আমি জানি না
লোকেরা আমাকে কবি বলে ডাকে,
তুমি জানো আমি মানি না। 

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০১৯

ভন্ডবাদ

প্রতিহিংসায় জ্বলে পুড়ে মরে যাও,
মিথ্যে কথায় মনের দহনে 
দিতে চাও তুমি ক্ষান্তি
অগভীর বোধএকপেশে যত ভাবনা
পাশাপাশি আর রাখতে পারো না কিছুই
কোনকালে নেই শান্তি

ভেবেছ তোমরা যাই ভাবো সব ঠিক
বংশসূত্রে জ্ঞানাধার ষোলআনা।
আমরা সবাই আনপড়চাষাভুষো,
সভ্যতাহীনভব্যতাহীনগোঁয়ারমূর্খঅতি,
আসল তত্ব কখনো হয়নি জানা

তাঁবেদারি আর দিনকানা
যতেক কোমলমতি,
আমাদের মত অসুর তোমরা নও,
আমরা যেখানে পাথুরে পাহাড় কাটি,
তোমরা সেখানে উপদেশ বাণী কও,
'কর্মে রাখো হে মতি'।

ভেবেছ আমরা চিরদিন রব হাঁদা,
চিরদিন রব সাম্য-প্রেমের সঙ্গীত গেয়ে মুগ্ধ
পায়ের তলায় তরতর মাটি সরে
আঁধারে দুচোখ বাঁধা,
চোখের ভেতরে রুদ্ধ-

বহু অদেখার আশার ঝলক
বহু বঞ্চিত অভিলাষ।
তোমরা কখনো দেখোনি ওসব ভেবে,
তোমাদের কাছে আমরা হয়েছি
ভোটের তুরুপ-তাস

যত ভন্ডরা এক হবে
যত সাম্যবাদীরা টাকা গুঁজে নিয়ে ট্যাঁকে
কলম উঁচিয়ে কাঠিবাজী করে খাবে

রবিবার, ১৯ মে, ২০১৯

স্পষ্টবাদীর মিত্র নেই

আমি যেদিন কবিতা লিখতাম,
সেদিন আমার যে অল্প কয়েক পাঠক ছিল,
আজকে তাদেরও গোটা কয়েক বই আছে,
আমার উল্লেখ করার মত একটা ম্যাগাজিনও নেই যাতে দুটো লাইন ছাপা হয়েছে-
আমার দুটো কথার।
আমার কাছে যে দু একটা ছেলে গান শিখতে আসত
তারা অতি অল্প সময়ে এলবাম বের করে নিয়েছে,
আর আমি এখনো গলা সেধে যাচ্ছি।
এক দঙ্গল লোক একদা আমার কথা শুনতে আসত,
এখন তাদের অনেকেই ভাষণের প্রভাষক,
আর আমি ক্রমশ বাকরুদ্ধ হতে চলেছি।

আমি অত্যন্ত একা!
বিশ্রী রকমের একা!
আমার সৃষ্টিগুলো শিশুর চারপাশে ছড়ানো খেলনার মত,
আমি তাদের রান্নাঘরের থালা-বাসনের মত গোছাতে পারিনি,
আমি অত্যন্ত অগোছালো, তদুপরি দ্ব্যর্থহীন স্বাধীন স্বৈরাচারী,
আমি গুছিয়ে বলতে পারি বটে, লিখতেও পারি,
কিন্তু গুছিয়ে মিথ্যে বলতে ষোল আনা ব্যর্থ!

ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে পারি না গো,
আমার জিব গোখড়োর মত দুদিক চেরা,
আমার কোন অভিসন্ধি নেই,
বদলে ফেলার মত খোলস নেই,
কয়েকটি ভিন্ন গড়নের মুখোশ নেই যা আমি ক্ষেত্রবিশেষে পড়ে নেব।

আমি বদ্ধ গোঁয়ার, উজবুক, আহম্মক,
যারা ভালবাসে তারা আমাকে পাগল বলে ডাকে!
যারা আমাকে ভালবাসে না
তাদের আমি চিনিও না আদতে,
আমি বৈরীতার দংশনটা চিনি,
আমি জানি
আমি নিকৃষ্ট রকমের একা!
পূর্ণিমার চাঁদের মত একা!

আমি জানি স্পষ্টবাদীর কোন মিত্র নেই!

শনিবার, ১৮ মে, ২০১৯

প্রেতিনীর বন্দী

অন্ধকার নেমে এল তরতর করে,
বিগতচন্দ্র নভ, নিশ্ছিদ্র অন্ধ অমাবস,
নিষ্প্রভ নক্ষত্রের নিরালম্ব নীড়ে
নিয়তির ক্রুরহাসি নিঠুর নিকষ
জ্যোৎস্নার মত ক্ষরে।

স্বপ্নভঙ্গঘোর তটিনীর তীরে,
কদম্বছায়, দাঁড়িয়ে ঠাঁই, প্রেতিনীর ছায়া,
আমার কুটীরে, অকস্মাৎ দিল ধরা,
স্রোত-মুখ খুলে দুর্বার প্রমথের মায়া
প্লাবিত করে অন্তরের অলিন্দ-নিলয়,
বিবাগী চৈতন্য জাগে, হাতে হাতকড়া।

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

জনান্তিকে

চারপাশেহাজারটাআঁধারি-মাতম,
কলহেরউদাত্তসুর
প্রেমহীনঅসত্যেরউড়োবাণী,
বে-আব্রুমিথ্যেরকিলজ্জাকিশরম...
দিকেদিকেউলঙ্গেরমানহানি-
নিয়েউঠেছেকাতরআর্তরব
তাতেভরেছেআকাশ। 
এতসবদানবীয়সৌন্দর্য্যেরমধ্যে 
আমিআছিপ্রিয়তমা,
তোমারহাসিরতুলনাখোঁজারপাচ্ছিনা-
সামান্যঅবকাশ

কবিতাহয়েগেছেভাঁড়ামিরশিল্পকৌশল,
অথবানিজেকেসরিয়েরাখাপ্রপঞ্চেরঅন্তরালে,
প্রলাপ-প্রলম্বিতপ্রতিভাঅনর্গল-
যাতেবিকশিতসেইসম্মোহনীকলাতারইঅন্তর্জালে-
বদ্ধথেকেপ্রেমাতুরহতেলাগেনাভাল। 

অথচপারিনাপাললিকশিলাহতে
বরষাসিক্তমেঠোমৃত্তিকারমতঅন্তরেনেতিয়েরই,
প্রতিটিকঠিনপদভারেরনীরব-সংঘাতে
যদিওবিদীর্ণনই,
তবেব্যাথাতোলাগে। 

আমারসকলঅসংলগ্নকথারভেতরেতুমিনেই,
তুমিআলজিভেআটকেআছবলেইহয়ত
কোনকথারইআরসংলগ্নতাহয়নাসংযোজন। 
যদিওআমিমহানন্দগরলকুম্ভপরিপূর্ণ,
তবুওভাবিআজদতোমাকেপ্রয়োজন-
জনান্তিকে। 

তীরে ফেরা

  অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...