মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০১৭

ধূর্জ্জটির ধ্যানভঙ্গ- অমিত্রাক্ষর

অকস্মাৎ ধ্যানভঙ্গে ধূর্জ্জটি চন্দ্রমৌলীশ্বর
নেত্রোন্মীলনে হেরিলা যেন পূর্ণচন্দ্রদ্যুতিসম
শ্রীঅঙ্গমাধুরী, দরশনে যথা তৃষিত চকোরে-
চন্দ্রে আকুল পিয়াস ধরি, তেমতি অতৃপ্ত মহেশ
যদিচ বাহিরে অকম্প তিষ্ঠ চিরবৈরাগ্য-শেখরে-
ত্যাজিয়া সমাধিরূপ, বরে পঞ্চপুষ্পশর!
ইতঃপূর্বে যবে দাক্ষায়নী বিসর্জিলা মর্ত্যের দেহ,
সুখগেহ কৈলাসকুটীর, মহারুদ্র তাণ্ডব শেষে
আপনে আপনা ধরি অনন্ত কল্পকোটি ব্রহ্মমূরতি,
স্ব-ভূমায় নিমগন, অনন্ত বিরহের পাশে
বাঁধি আপনায়, পরাঙ্মুখ জগতাধিপতি জগত হতে;
কি প্রমাদে আপনায় পূনঃ বদ্ধ করে?
কি নিমিত্ত সম্পাদনে? কি প্রারব্ধ দোষে?
অনঙ্গে অঙ্গার করি ভ্রূকুটি প্রকোপে পশুপতি,
আঁখি ফিরায়ে হেরে গিরিজেশ নন্দিনী সমুখে-
শঙ্কিতা, যেমতি কুরঙ্গিনী শার্দূলসকাশে অতি-
প্রকম্পিতা, সেমতি গিরিজারে হেরিয়া কৌতুকে
স্মিতহাস্যে হস্ত ধরি মহেশ্বর কহেন উমায়,
'হৃদয়রাজ্ঞী তুমি, এতকাল ধ্যান ধরে
খুঁজেছি তোমায়!'
__---__---__---__---__---__---__---__

হঠাৎ মনে হল একটু ক্লাসিক্যাল হই। অমিত্রাক্ষর একসময় খুব লিখতে ভাল লাগত। সাহিত্যচর্চাটা এখন উঠেই গেছে আমার। অল্প একটু শান দিয়ে দেখলাম।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তীরে ফেরা

  অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...