যা মনে আসে লিখি। ভাল লাগলেও লিখি, না লাগলেও লিখি। কারো ভাল লাগা না লাগার ওপর আমার কোন ঔৎসুক্য বা অভিমান নেই!
শনিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২২
মা বিনে যে কেহ নাই
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২২
বিদেহী গো, ভাল থেকো।
ধর, তবু যদি বলি আর ক’টা দিন থাকো,
যদিও তরণী তীর হতে ধীরে সরে যায়।
ফিরবার তাড়া আমারও আছে তো মনে,
জানি এসেছি যখন ফেরারও রয়েছে দায়।
তাই ঘাটে ঘাটে আমি গড়েছি কতক ডেরা,
ডাক যদি আসে, দেরী কি আমারও ফেরা?
বিদেহী গো, ভাল থেকো।
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২২
না জেনে গাইবে কেন?
সুলগ্না,
এ সুর বিষ্টিভদ্রা, এ নিষাদে বিষশর
লাগে,
পঞ্চমে মুচড়ে ভাঙে ক’খানা পাঁজর,
মীড়ে জাগে—
বিষ্টব্ধ শ্রুতির কোলাহল, তুমি গাও
কেন?
পৃথিবীর বুকে পেতে কান,
শোন, যদি জেনেছ তোমারও আছে কোটরে
বাঁধা প্রাণ—
ভ্রমর, গুঞ্জে মরা সাধের পাখা, জীবনোপাখ্যান—
ব্যক্ত করার; দেখ পৃথিবীর মর্মে—
বাজে কি অমন গান।
তুমি না জেনে গাইবে কেন?
সোমবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২২
যদি কোন নাবিক দাঁড়ায়
যদিচ প্রাণখুলে করি না বিশ্বাস—
কতক কিতাব-পাতা, ইষ্টক-ইমারত মধ্যে—
অবিকার পাষাণ গম্ভীর; তবু মানুষে
ভরসা করি—
কখনো স্বভাব প্রবলতায়, একি ঘোর মহাপাপ—
ধরি গান, কে যেন নিঠুর বধির।
ডিঙিয়ে যাই গিরিশৃঙ্গ-প্রমাণ-ঢেউ
জুগুপ্সার,
জিঘাংসার, বেদনার; তবু আহত জিজীবিষা—
কম্পিত দখিন-বাহু সামনে বাড়ায়—
যদি পাই ভাসার সাম্পান, আশার তলস্রোতে,
যদি কোন নাবিক দাঁড়ায়—
পথ ভুলে, তীরে যেতে।
শনিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২২
ওমিক্রন গান
কোরোনাময় এ সংসারে ষণ্ডামি আর কোরো
না,
যথা তথা ঘোরো ফেরো, মাস্ক কেন পড়
না?
পেয়ে তুমি দুটো ডোজ, রেস্তোরাতে গেলে
রোজ,
করে কত ভুরিভোজ, বাড়ালে ভুরি খানা!
অবশেষে বাপধন, পেলে বটে ওমিক্রন,
গাঁটে গাঁটে সংক্রমণ, কলকব্জা তো
নড়ে না!
সাহানা – ঝাঁপতাল।
বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২২
'আমি'
হঠাৎই থেমে গেছি।
মাথার ভেতর পেঁচিয়ে যাচ্ছিলাম যেন,
যেন ধোঁয়ার মতন মিলিয়ে যাচ্ছি কোথাও।
চোখের কোটরে নেমে এলে রাত হাতড়ে বেড়াই
কবিতার বোবা স্বর, বিকট শূন্য অন্ধ প্রহর—
যেন আমি ভিনগ্রহে আছি; কেউ নেই,
এখানে কেউ নেই,
আমি ছাড়া।
দু’শো পাঁচশো মশা ঢুকেছে ঘরে।
চাদরে লেপ্টে গেছে রক্তের দাগ, চামড়া ফুঁড়ে—
খুঁজেছে হৃদয়, ওখানে কেউ নেই,
একদম কেউ নেই,
‘আমি’ ছাড়া।
কি এক প্রকাণ্ড ‘আমি’!
শনিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২২
আমি কোথায়
আঁধারে চেরা পথে নিভেছে চেনা চেরাগ,
মাতম ধরেছে বুকে মরুৎ-এ মারু-বেহাগ।
ও দেশে এখন ক্লান্ত ঝড়
তীরে তীরে –
বকের মতন ফেরে
ধূম্র-মেঘে
সফেদ ডানায় করে ভর।
বরষণ-তৃপ্ত ফ্যাকাশে গোধুলি-অস্তরাগ—
আকাশে জেগে
ধীরে নামে এ ঘর ও ঘর—
খড়ে বোনা নীড়ে নীড়ে, ঘিরে ঘিরে—
মন্দ্র-মধ্য-তারস্বর;
আমি কোথায়?
তীরে ফেরা
অনন্ত দিনরাত্রির কত স্রোতভঙ্গ কলরোলে আমি ভাসিয়ে ভেলা অবেলা ওপারে যাব বলে হাল ধরে ঠাঁই জেগে আছি নির্নিমিখ। কত ঝড়ের ঝাপটা এসে, দিল দোলা ক...