শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২০

দ্বিতীয় কোয়ারান্টাইন গ্যাঁজাল (চা খাবো না?)

উৎসর্গ- ডাক্তার দেবাশিস
______________________
বাদশা কহেন হাকিমে,
‘দাওয়াখানা বসে কি যে কর তুমি দিনভর,
আমি সারাদিন রই হারেমে-
তাতেও অরুচি লাগে’!
বৃদ্ধ হাকিম চিন্তায় রাত জাগে-
বাদশার মনে অসুখের মেঘ ভারী!
হাকিমিপ্যাথিতে এ রোগ সারিতে নারে,
এতদ্ভিন্ন আর কোন ডাক্তারি-
তাও তার জানা নাই!
শ্রীহট্ট দেশে এলোপ্যাথি কিছু আছে,
পাঠায়েছে দূত, ধরে আনো এক ডাক্তার!
বাদশার মনে বিরূপ অরুচি কেন হে,
ত্বরা তুমি এর কর তো খানিক প্রতিকার!
নাড়ী টিপে দ্যাখে, চোখ বুঝে খন,
ডাক্তার বলে ‘ভালো
এমন কিছু তো হয়নি এনার-
জাস্ট সিজনাল চেঞ্জ এলো!
রোজ দুই বেলা-
ভালো করে পিষে গেন্দা ফুলের রস
দুই ফোঁটা সেটি মিশিয়ে উষ্ণ জলে
কমলে কিছুটা কষ-
তখন খেলেই হবে, পাবে বটে উপশম!’
আপ্যায়নের ত্রুটি রহিল না,
সবে বলে ‘এই ডাক্তারসা’ব ধন্য’!
ডাক্তার আছে দুখী হয়ে এক কোনে
হাকিম শুধান- ‘কেন গো কিসের জন্য?’
ডাক্তারে ক’ন,
এত আয়োজন নেই তার কোন তুলনা,
আমার যে বড় পিপাসা রয়েছে এখনো-
‘আমরা কি চা খাবো না?
চাচা এক কাপ চা কি পাবো না?’
___________________
উৎসর্গপত্রের কথা আর লিখলাম না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মশাল যাত্রা

  ঘোর ক্রান্তির দিনে সবাই যে অস্ত্রে শান দেবে তা তো নয়, কেউ বা, হয়ত আঁধারে মুখ তুলে আকাশে গুনবে তারা! স্রেফ তোমার দায়টুকু তুমি জেনে নিলেই ...