অকরুণ অরুণ কর খর তাপ
বহে ভুবনে, আমি আতুর তৃষিত হে;
শীতল কর স্নেহকর পরশনে
নিখিলজননী।
পুত্র তব নিভৃতে নিরয়পথগামী হে,
পাপ নিমজ্জিত কলুষক্লেষ-ক্লান্ত,
ক্রোড়ে নাও, দিবস অবসানে
ভুবনপাবনী।
যা মনে আসে লিখি। ভাল লাগলেও লিখি, না লাগলেও লিখি। কারো ভাল লাগা না লাগার ওপর আমার কোন ঔৎসুক্য বা অভিমান নেই!
অকরুণ অরুণ কর খর তাপ
বহে ভুবনে, আমি আতুর তৃষিত হে;
শীতল কর স্নেহকর পরশনে
নিখিলজননী।
পুত্র তব নিভৃতে নিরয়পথগামী হে,
পাপ নিমজ্জিত কলুষক্লেষ-ক্লান্ত,
ক্রোড়ে নাও, দিবস অবসানে
ভুবনপাবনী।
সকাল হবে...
সহস্রাব্দকাল নিভৃত রাত্রির পর
একদিন...
সকাল হবে...
খরাজে, মন্দ্র-মধ্যমে লহরী তুলে
বিনিদ্র মালবকৌশিক চুপচাপ শ্রান্ত হলে...
একদিন..
অকস্মাৎ, সহসাই সকাল হবে...
অক্লান্ত অলস দ্বিপ্রহরে ধানেশ্রীর পাংশু সুর,
রৌদ্রলিপ্ত, পুরানো আবাস ঘিরে যোজন দূর-
দেশী-আকাশ হতে নামে বিমূর্ত বীণা বেয়ে,
ঐকান্তিকে, নিত্য নিরাশ্রয় হৃদয়কুঞ্জ ছেয়ে।
ত্রিতাপদগ্ধ করে স্নান।
কলিকাতা।
একদা সন্ধ্যা নামিলে যখন বেনেরা ভিড়িল ঘাটে,
কর্দমঘ্রাণে আমোদ আদুল গেঁয়োরা ফিরিল বাটে-
রোশনাই আসি মাটির প্রদীপে বর্ষিল অবহেলা,
কোঁচার আধুলি ধুলায় ছুঁড়িয়া নটের নাট্যশালা-
বেনেরা করিল জয়, এ নগর তার পরিচয়বাহী-
কবিকুলে কিছু নয়।
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৪।
রাত ১টা ২৫।
দুখের সায়রে ফেনিল স্বপ্ন
তীরে তীরে করে ভীড়
ঝড়ের বাতাসে কাঁপে যেন কার
পরদেশে বোনা নীড়।।
পাখীদেরও যেন থেমে গেছে গান,
বেণুর বাদনে কাঁদে যেন প্রাণ,
চোখের কোটরে নিমগ্ন ব্যথা
জলের প্লাবন থির।।
অসময়ে যেন এসেছে বরষা,
আকাশের মেঘ উতল সহসা,
ফুলের কোরকে আভাস জেগেছে
তটভাঙা জলধির।।
২৫ জানুয়ারি, ২০২৪।
হয়ত আমি এমনই দলছুট,
এমনই ছন্নছাড়া, হতশ্রী, কাঙ্গাল!
তবু ধুলোর আঁচলে জানি পাব ঠাঁই,
সুনিবিড় শীতল বিলোল হাওয়ায়
নিরালা নিশ্চিন্ত কোলে এই ধরণীর,
দিয়ে ত্রিদিব-যাত্রাপথে উড়ো ছাই;
আমি নিরয়ে যাই ছুটে!
আমি এমনই দলছুট হব,
এমনই উন্মাদ, এমনই হাহারব-লাঞ্ছিত-
সুরমূর্চ্ছনা উগরে দিয়ে পথে পথে,
এমনই অনন্তকাল!
বিপরীতে যে পথ- সে বড় সুনিবিড়- ছায়াঘন- সে গেছে আঁধারে মিলায়ে। নগরে জনস্রোত- অলিগলি- রাজপথ- সবাই যে মুখো- ঠিক তার বিপরীতে, সান্ধ্যনীড়ে ডাহ...