রবিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৮

দুর্গতিদায়িনী

দুর্গতিনাশিনী তোরে যে বলে বলুক
আমার দুর্গতি দেখি ক্রমবর্ধমান
নিয়তির দুষ্ট চক্র যেভাবে চলুক
ভাবি না আমি যে তোর যাচিত সন্তান!
ধরণীর ধম্মকম্মে ছাই ভস্ম মেরে
বুকের প্রদাহ বেঁধে কবির খাতায়
আমি আছি মৃত্যুমুখে আলো অন্ধকারে
কলঙ্কের সর্বভার নিয়েছি মাথায়!
কে বলে জননী তুই! মাটির গাঁথুনি!
স্নেহহীনা পুত্তলি! কত পূজা পাস!
ধিক তোরে নিদয়িনী, অন্তরের ধিক!
চলে যদি যাবি তুই, একেবারে যাস!

অনন্ত দুখের রাত প্রলম্বিত হয়
বেঁচে আছি এটুকুই বিমূঢ় সান্ত্বনা
যে কদিন বেঁচে রব বেঁচে রবে ভয়
এ জীবন বয়ে চলা নিছক যন্ত্রণা।
তার মাঝে দেখি তোর খিলখিল হাসি
সন্তানের অশ্রুজলে কত বিনোদন,
ঘৃণায় বলি না আর তোরে ভালবাসি
ঘৃণায় করিনা আর ও মুখ দর্শন!

দে দে রে অভিশাপ, চূর্ণ হই তবে
জননীর ধর্ম তুই শিখেছিস ভালো!
কি হবে রে যদি এই তুচ্ছ মরে যায়
সহস্র প্রদীপে তবু তুই পাবি আলো!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

মশাল যাত্রা

  ঘোর ক্রান্তির দিনে সবাই যে অস্ত্রে শান দেবে তা তো নয়, কেউ বা, হয়ত আঁধারে মুখ তুলে আকাশে গুনবে তারা! স্রেফ তোমার দায়টুকু তুমি জেনে নিলেই ...