সেই যে সে একদিন আমার কাছে এলো
তারপর তো সে আর কোনদিন কোথাও গেলো না।
কোত্থাও না।
আমি তো অনেকবার বদলে গেছি।
অজস্রবার মানুষ থেকে দানব ও দানব থেকে পাথর হয়েছি।
অনেক মাস ঘন শ্মশ্রুশোভিত হয়ে রুক্ষমূর্তি ছিলাম
আবার কি ভেবে যেন ক্ষৌরকর্ম এসে আমাকে পলিমাটি করে গেল।
কতবার চেনা আমি অচেনা হয়েছি
আর অচেনা আমি হয়েছিলাম তেজস্ক্রিয় গরলকুণ্ড
কাছে এলেই জ্বলে গেছে ফুল, দুর্বাঘাস, পাখি ও পতঙ্গ;
তবুও সে কাছে এসেছিল।
বিনা প্রশ্নে একদিন ঝাঁপ দিয়েছিল আমার ভেতর।
আর উঠে এলো না কোনদিন।
আমি তো অনেকবার অশ্রাব্য পৌরুষোক্তি তুলে
নিজেকে করেছি ভীষণাকার, করেছি কেশাকর্ষণ, অনল দংশন
ড্রাগনের মত, আমার রক্তচোখ ছিঁড়ে খেয়েছে
তার ভয়ার্ত ফ্যাকাসে হৃদয়, আমার বিষদন্ত লুটেছে অধর
ক্ষোভিত নাগের সমান, সে আতঙ্কে কেঁপেছিল
তবু তো এক পা ছেড়ে গেল না।
তারপর তো সে আর কোনদিন কোথাও গেলো না।
কোত্থাও না।
আমি তো অনেকবার বদলে গেছি।
অজস্রবার মানুষ থেকে দানব ও দানব থেকে পাথর হয়েছি।
অনেক মাস ঘন শ্মশ্রুশোভিত হয়ে রুক্ষমূর্তি ছিলাম
আবার কি ভেবে যেন ক্ষৌরকর্ম এসে আমাকে পলিমাটি করে গেল।
কতবার চেনা আমি অচেনা হয়েছি
আর অচেনা আমি হয়েছিলাম তেজস্ক্রিয় গরলকুণ্ড
কাছে এলেই জ্বলে গেছে ফুল, দুর্বাঘাস, পাখি ও পতঙ্গ;
তবুও সে কাছে এসেছিল।
বিনা প্রশ্নে একদিন ঝাঁপ দিয়েছিল আমার ভেতর।
আর উঠে এলো না কোনদিন।
আমি তো অনেকবার অশ্রাব্য পৌরুষোক্তি তুলে
নিজেকে করেছি ভীষণাকার, করেছি কেশাকর্ষণ, অনল দংশন
ড্রাগনের মত, আমার রক্তচোখ ছিঁড়ে খেয়েছে
তার ভয়ার্ত ফ্যাকাসে হৃদয়, আমার বিষদন্ত লুটেছে অধর
ক্ষোভিত নাগের সমান, সে আতঙ্কে কেঁপেছিল
তবু তো এক পা ছেড়ে গেল না।
চাইলেই সে যেতে পারত বারীন্দ্রের কাছে।
চাইলেই সে যেতে পারত অতুলন ঐশ্বর্য্যে,
তবু সে গেল না।
আমার একদিন দারিদ্র্য এসেছে বন্যার বেগে,
ভেসে গেছে অহং, ভেসে গেছে রূপ গরিমা গৌরব, ধনাঢ্য সিন্ধুক,
ঘুর্ণিপাকে তলিয়ে গেছে শিল্প ও সুর,
কবিতার মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝরে গেছে। তখন আকাশে ছিল শুধুই আকাশ,
শুধুই একটা প্রকাণ্ড অগ্নিপিণ্ড ত্রাসনে মত্ত ছিল
আমার মত, আমি যেমন তাকে রেখেছিলাম!
তবু তো সে থেকেছিল, তবু তো সে এখনো আছে।
এ তার পরাধীনতা নয়,
এ নয় শেকলকে নূপুর ভেবে চুপ করে থাকা,
এ নয় স্বভাবজ নারীত্ব এঁকে মানবী শরীরে
একবুক বেদনাকে ধরে বেঁধে রাখা,
এ যেন অন্য কিছু।
আমি তার চোখের দিকে এক আলোকবর্ষ তাকিয়ে থেকেও
কিছু বুঝতে পারিনি।
চাইলেই সে যেতে পারত অতুলন ঐশ্বর্য্যে,
তবু সে গেল না।
আমার একদিন দারিদ্র্য এসেছে বন্যার বেগে,
ভেসে গেছে অহং, ভেসে গেছে রূপ গরিমা গৌরব, ধনাঢ্য সিন্ধুক,
ঘুর্ণিপাকে তলিয়ে গেছে শিল্প ও সুর,
কবিতার মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝরে গেছে। তখন আকাশে ছিল শুধুই আকাশ,
শুধুই একটা প্রকাণ্ড অগ্নিপিণ্ড ত্রাসনে মত্ত ছিল
আমার মত, আমি যেমন তাকে রেখেছিলাম!
তবু তো সে থেকেছিল, তবু তো সে এখনো আছে।
এ তার পরাধীনতা নয়,
এ নয় শেকলকে নূপুর ভেবে চুপ করে থাকা,
এ নয় স্বভাবজ নারীত্ব এঁকে মানবী শরীরে
একবুক বেদনাকে ধরে বেঁধে রাখা,
এ যেন অন্য কিছু।
আমি তার চোখের দিকে এক আলোকবর্ষ তাকিয়ে থেকেও
কিছু বুঝতে পারিনি।
আমার সাতসমুদ্র গ্লানি, অতলান্তিক ব্যর্থতা, নষ্টনীড় পরিচয়ে
আমি বিপুলবায়ে ভূপাতিত মহাবৃক্ষের মত শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ছিলাম,
আমি আজকেও তাই আছি।
আজকেও আছি দৈন্যতায় মগ্ন, সারা গায়ে ঔদাসীন্য মেখে,
আমি মৃত্যুর সাথে গললগ্ন হয়ে আছি শুরু থেকে আজ অবধি।
তবুও সে এসেছিল। সেই যে এসেছিল। আর সে গেল না।
আমি তার বুকের ভেতর মারাত্মক খননকার্য চালিয়েও কোনদিন,
কোনদিন কিছু করতে পারিনি আবিষ্কার,
কি এমন আছে সেখানে যাতে আমি বঞ্চিত জন্ম থেকেই।
আমি বিপুলবায়ে ভূপাতিত মহাবৃক্ষের মত শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ছিলাম,
আমি আজকেও তাই আছি।
আজকেও আছি দৈন্যতায় মগ্ন, সারা গায়ে ঔদাসীন্য মেখে,
আমি মৃত্যুর সাথে গললগ্ন হয়ে আছি শুরু থেকে আজ অবধি।
তবুও সে এসেছিল। সেই যে এসেছিল। আর সে গেল না।
আমি তার বুকের ভেতর মারাত্মক খননকার্য চালিয়েও কোনদিন,
কোনদিন কিছু করতে পারিনি আবিষ্কার,
কি এমন আছে সেখানে যাতে আমি বঞ্চিত জন্ম থেকেই।
কবিতাটি ১৫১ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের সময়:১২/০৪/২০১৬, ০৮:৫৮ মি:
প্রকাশের সময়:১২/০৪/২০১৬, ০৮:৫৮ মি:
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন