হে লোকায়ত পুরাতন পুরুষ ঈশ্বর,
আমাকে আরেকবার জন্ম দিয়ো নারীত্বে
অযোনিজ প্রক্রিয়ায় অরিরংসার মন্ত্রবলে
জননতন্ত্র সংপ্লাবী সমূহ উৎসাহ মনুষ্যত্বে
নিয়ে এসে কন্ট্রোলে প্রেমের পেট্রোল ঢেলো
কৃষ্ণাভ শূণ্য জরায়ুতে যেভাবে পরাগায়ণ
হয়ে ফুল থেকে ফুলে সেভাবে হোক সবকিছু 
মানুষে মানুষে!

কেবলমাত্র দৃষ্টি দৃষ্টিবিদ্ধ হলে আমার ভবিষ্যৎ
পিতা ও মাতার, আমি যেন অন্তরে অন্তর্গত হই!
তারপর চন্দ্রকলার মত ক্রমে ক্রমে বর্ধিত হয়ে
একদিন অমাবস্যার মত আমি নির্গত হব নির্দ্বিধায়!
অনূঢ়ার ব্রীড়াস্থল রক্তাপ্লুত করে আসতে চাই না,
একবার আসতে চাই প্রকৃতির বিধানকে তুড়ি মেরে
অলীক প্রভায় দ্যুলোকবাসী প্রাণীদের সারপ্রাইজ দিয়ে,
স্বমহিমায়!

হে অঘটনঘটনপটু গুরুগম্ভীর প্রাজ্ঞ ঈশ্বর,
আমাকে আরেকবার সেভাবে জন্ম দাও কৃপা করে!
আমি অকামহত শরীর লাভ করি ও বিগততৃষ্ণ হই
এ জন্মের আন-অ্যাকমপ্লিশড নানাবিধ বাসনাসূত্র ধরে
আর এগুতে চাই না পরজনমে! বৈতরণী দরিয়া অথৈ
আর কতবার দেব পাড়ি ভাঙা নৌকায়?

আমাকে শুধু আরেকটা বার একটা বিশেষ কারণে
আসতে দিয়ো প্রভু! আমি দেখতে চাই শূণ্য হতে শূণ্য
জন্মে কি না! নির্বাসনার গর্ভে আসে কি না পুষ্পপঞ্চশর!