আমাকে নাও
অন্তরঙ্গ করে নাও বহিরঙ্গ করে নাও
অন্তরালে প্রদীপ্ত কামনাকে নাও
যৌবনকে গ্রাস কর
যৌবনকে দাও
আগুন নেভাও
আমি জ্বলছি
অন্তরঙ্গ করে নাও বহিরঙ্গ করে নাও
অন্তরালে প্রদীপ্ত কামনাকে নাও
যৌবনকে গ্রাস কর
যৌবনকে দাও
আগুন নেভাও
আমি জ্বলছি
আমি বলছি
আমাকে নির্বাপিত কর
বাহুকে প্রশস্ত কর বাহুকে ধর
সমস্তকিছুর সাথে সমস্ত মেলাও
পাপড়ি মেলো পাপ নেই
মধুপ আসুক লজ্জা নেই
বেহায়া হও শান্তি পাও
শান্তি দাও
আমি জ্বলছি
আমাকে নির্বাপিত কর
বাহুকে প্রশস্ত কর বাহুকে ধর
সমস্তকিছুর সাথে সমস্ত মেলাও
পাপড়ি মেলো পাপ নেই
মধুপ আসুক লজ্জা নেই
বেহায়া হও শান্তি পাও
শান্তি দাও
আমি জ্বলছি
কি দেখো কি ভাবো
আমাকে বোঝ
মনুসংহিতাকে নয়
মানুষকে বোঝ
বোঝ মানুষ-হৃদয়
আমি বলছি এটাই ধর্ম
এটাই জীবনময়
ফলিত কর শস্য ফলাও
প্রেমের জমিতে
আমাকে বোঝ
মনুসংহিতাকে নয়
মানুষকে বোঝ
বোঝ মানুষ-হৃদয়
আমি বলছি এটাই ধর্ম
এটাই জীবনময়
ফলিত কর শস্য ফলাও
প্রেমের জমিতে
আমাকে বাঁচাও
আমি পাতালের সমস্ত বিষ খেয়েছি নেশায়
মাতাল ছিলাম আমি বড় মাতাল ছিলাম
আমাকে বাঁচাও
দংশন কর প্রদাহ কমুক
দুয়ার রুদ্ধ কর তারারা নিভুক
বোধিদ্রুমের তলে মারদর্শন করি
আমি প্রস্তুত মার এলে কোন মাংসখন্ড নিয়ে
তাতে উপগত হতে
আমি পাতালের সমস্ত বিষ খেয়েছি নেশায়
মাতাল ছিলাম আমি বড় মাতাল ছিলাম
আমাকে বাঁচাও
দংশন কর প্রদাহ কমুক
দুয়ার রুদ্ধ কর তারারা নিভুক
বোধিদ্রুমের তলে মারদর্শন করি
আমি প্রস্তুত মার এলে কোন মাংসখন্ড নিয়ে
তাতে উপগত হতে
চেনা মধুপ অন্য ফুলে গেলে
জানি কষ্ট হয়
ও কিছু নয়
সময়ে সেরে যাবে
জানি কষ্ট হয়
ও কিছু নয়
সময়ে সেরে যাবে
আমি বলছি সময়ে সকল মেঘ সরে
সময়ে বৃষ্টি ঝরে সময়ে ঝড় হয়
অথচ বিরহের সময় অসময়
বোধ নেই তাও আমি জানি
তুমি এটা বোঝ
সময়ে বৃষ্টি ঝরে সময়ে ঝড় হয়
অথচ বিরহের সময় অসময়
বোধ নেই তাও আমি জানি
তুমি এটা বোঝ
আমাকে জড়াও
আকুল করে জরায়ু পর্যন্ত যেতে দাও
মানুষের চৈতন্য বৈভব নিয়ে নিষিক্ত হই
আমাকে পাও আমাকেই পাও
আমাকেই চাও তুমি
যেভাবে সাপিনী সাপকে চায়
মানবী মানবকে চায়
অতল গহ্বরে
আকুল করে জরায়ু পর্যন্ত যেতে দাও
মানুষের চৈতন্য বৈভব নিয়ে নিষিক্ত হই
আমাকে পাও আমাকেই পাও
আমাকেই চাও তুমি
যেভাবে সাপিনী সাপকে চায়
মানবী মানবকে চায়
অতল গহ্বরে
নিরর্গলা কবিতা হও
অক্লান্ত কথামালা যতিচিহ্নহীনা
যতির তপ উচ্ছন্নে নাও
নিরাভরণা নিরাবরণা হও
অনন্ত আনন্দে উধাও
হও ঈশ্বরীর মত
অক্লান্ত কথামালা যতিচিহ্নহীনা
যতির তপ উচ্ছন্নে নাও
নিরাভরণা নিরাবরণা হও
অনন্ত আনন্দে উধাও
হও ঈশ্বরীর মত
কবিতাটি ১৫৪ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের সময়:২৭/০২/২০১৬, ১২:৩৬ মি:
প্রকাশের সময়:২৭/০২/২০১৬, ১২:৩৬ মি:
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন