আমি কোন নারীবাদ, পুরুষবাদ বুঝি না।
আমি এইসব উদ্ভ্রান্ত বাদানুবাদে ক্লান্ত।
আমি মানুষ বুঝি।
মানুষের স্বাভিমান বুঝি।
স্বাভাবিক জীবনকে বুঝি স্বাভাবিক ভাবেই।
নারী হোক নারীর মতন।
নারী হোক সুনীলের নীরার মতন।
নারী হোক রক্তাননা জয়দুর্গার মতন অসুরসংগ্রামে।
সে হোক লক্ষ্মী বাঈ, প্রীতিলতা, অথচ একাধারে
বনলতার মতন, যাকে দেখি ও আমি দু'কোটি জন্ম
জীবনানন্দ হই!
আমি এইসব উদ্ভ্রান্ত বাদানুবাদে ক্লান্ত।
আমি মানুষ বুঝি।
মানুষের স্বাভিমান বুঝি।
স্বাভাবিক জীবনকে বুঝি স্বাভাবিক ভাবেই।
নারী হোক নারীর মতন।
নারী হোক সুনীলের নীরার মতন।
নারী হোক রক্তাননা জয়দুর্গার মতন অসুরসংগ্রামে।
সে হোক লক্ষ্মী বাঈ, প্রীতিলতা, অথচ একাধারে
বনলতার মতন, যাকে দেখি ও আমি দু'কোটি জন্ম
জীবনানন্দ হই!
সে শুধুই কারো কন্যা, ভগিনী, জায়া ও জননী কেন হবে?
বরং কেউ তো তারও হোক- পিতা, ভ্রাতা, স্বামী ও সন্তান।
উল্টো করে ভাবতে গেলে কি এমন ক্ষতি তবে?
পুরুষের দম্ভে কি আসবে ক্ষয়রোগ? লুটাবে সম্মান
খুব বেশী পুংতন্ত্র বিপর্যয়ে?
বরং কেউ তো তারও হোক- পিতা, ভ্রাতা, স্বামী ও সন্তান।
উল্টো করে ভাবতে গেলে কি এমন ক্ষতি তবে?
পুরুষের দম্ভে কি আসবে ক্ষয়রোগ? লুটাবে সম্মান
খুব বেশী পুংতন্ত্র বিপর্যয়ে?
অতশত জানি না।
এত সাতপাঁচ ভাবতে গেলে আমি হাঁপিয়ে উঠি।
আমি মানুষকে দেখি মানুষের চোখ দেখে।
স্তনের আকার দিয়ে বিচার করতে দ্বিধা জাগে।
তবুও যে নারী নিজেকে শুধুই ভরিয়েছে স্তন দিয়ে,
সে তো জানে পুরুষের ভীষণ অসুখ
বহু আগে থেকে।
এত সাতপাঁচ ভাবতে গেলে আমি হাঁপিয়ে উঠি।
আমি মানুষকে দেখি মানুষের চোখ দেখে।
স্তনের আকার দিয়ে বিচার করতে দ্বিধা জাগে।
তবুও যে নারী নিজেকে শুধুই ভরিয়েছে স্তন দিয়ে,
সে তো জানে পুরুষের ভীষণ অসুখ
বহু আগে থেকে।
তুমি অধিকার চাইছো কার কাছে?
নিজেকে চেনো না তাই বারেবারে আত্মহন্ত্রী হলে।
এখন এইসব মরাকান্নায় অথবা মরা মতবাদে
আর ফুল ফোটে না।
নিজেকে চেনো না তাই বারেবারে আত্মহন্ত্রী হলে।
এখন এইসব মরাকান্নায় অথবা মরা মতবাদে
আর ফুল ফোটে না।
কবিতাটি ১৬৩ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের সময়:০৮/০৩/২০১৬, ১৪:১৭ মি:
প্রকাশের সময়:০৮/০৩/২০১৬, ১৪:১৭ মি:
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন