এসো দুর্বিনীত প্রণয়ের দুরভিসন্ধি নিয়ে
ধনুভাঙা পণ ধরে প্রেমিকা হবার
কোন গরল-নায়ক ভুজঙ্গের ভুজপাশে
অঙ্গ বিলোল করে রাত্রি আঁধার
কর গ্রাস, অনঙ্গকলায় বাঁধো নিশ্বাসে
বিশ্বাস, স্তম্ভন কর প্রকৃতির ক্ষুধা
ভালবাসো যে ভালবাসে প্রমত্ত প্রেম
তাকে দাও চন্দ্রাননা চন্দ্রের সুধা
খাঁজে খাঁজে ভাঁজে ভাঁজে।

এসো মিলিত হও নদীর উৎসমুখে
নারীত্বের স্রোতোবহা রিরংসু ধারায়
পঞ্চশরের তূণী আঁচলে গোপনে ঢেকে
দ্রুতপদে লাস্যময়ী ছলিত দ্বিধায়।
এসো প্রস্তরবৎ বুকে যুগপৎ-
প্রেম ও খড়গধার হয়ে ক্ষত্রিয়ের রণে
শোণিতমোক্ষণ করে বহু সূর্যের
এসো আলোকিত হও তবে
মৃত্যুর ক্ষণে।

পরমানন্দে কাঁদো প্রাপ্তির সুখে
গলিতচিকুরা হও চিতাগ্নি জ্বেলে
দেহান্তরীত প্রেম কারো রাত্রির বুকে
জ্বলুক আকাশ ছুঁয়ে তার পাখা মেলে!
এসো অনিন্দিতা অনঘ কজ্জল হয়ে
গণিকালয়ে গণিকার অগণন চোখে
ঢালো প্রাণের প্রস্রবণ অমাবস্যায়
বেশ্যালয়ের দ্বার- খোল ঈশ্বরের বুকে!

জগত মূর্ত হোক দুখীদের ঘরে
এসো আকুলীকৃত মেঘাবৃতা ঝড়ে
আমার শুষ্ক কবিত্বে কর বারিসিঞ্চন 
মৃত্যু দাও- আমায় অমৃতে ভরে
কর সাগর মন্থন আজ নিশিঘোরে-
এই প্রার্থনা করি।

এসো বেদী প্রস্তুত।
এসো অযুত নিযুত
কবিতা নিয়ে জীবন পাথারে
দেখো- আমি ভাসমান!