আরও একটি অবনমিত দিনের অপেক্ষা করি|
পতাকা উড়বেই আগের মত|
সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব থাকবেই তারে বাঁধা|
তিন টুকরো আর্য্যাবর্ত আমার একার হোক|
আমি অর্ধনমিত চোখে বলবই, "দাদা-
এই যে এত বিরাট ভূখণ্ড আর এত সব লোক-
এরা সবাইকি মানুষ?"
পতাকা উড়বেই আগের মত|
সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব থাকবেই তারে বাঁধা|
তিন টুকরো আর্য্যাবর্ত আমার একার হোক|
আমি অর্ধনমিত চোখে বলবই, "দাদা-
এই যে এত বিরাট ভূখণ্ড আর এত সব লোক-
এরা সবাইকি মানুষ?"
কি অমিত পরিমাণ ঘৃণা ও বিদ্বেষ বুকে
আমরা এঁকেছি মানচিত্র?
মায়ের শাড়ী কেটেকুটে স্বাধীন কেতন তুলেছি|
প্রচণ্ড খেটেখুটে ভায়ের মাঝে ভায়ের তুলেছি দেয়াল-
আর তার নাম দিয়েছি সভ্যতা|
দাদা, ইতিহাস আমার বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দেবে|
কারণ সে তো ক্ষমতাবানের কথা শুধু বলে|
কৃষকের ক্লেদাক্ত হাত, শ্রমিকের কঠিন চোয়াল
যেখানে উপেক্ষিত সেখানে স্বদেশপ্রেমের বুলি-
এই যে এতটা লোক এত কথা বলে-
কতটা অকার্যকর অথবা কার্যকর তাই আমি ভাবি!
আমরা এঁকেছি মানচিত্র?
মায়ের শাড়ী কেটেকুটে স্বাধীন কেতন তুলেছি|
প্রচণ্ড খেটেখুটে ভায়ের মাঝে ভায়ের তুলেছি দেয়াল-
আর তার নাম দিয়েছি সভ্যতা|
দাদা, ইতিহাস আমার বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দেবে|
কারণ সে তো ক্ষমতাবানের কথা শুধু বলে|
কৃষকের ক্লেদাক্ত হাত, শ্রমিকের কঠিন চোয়াল
যেখানে উপেক্ষিত সেখানে স্বদেশপ্রেমের বুলি-
এই যে এতটা লোক এত কথা বলে-
কতটা অকার্যকর অথবা কার্যকর তাই আমি ভাবি!
স্বদেশ? কোথায় সেটা?
সে কেবল উপলক্ষ বিশেষে আসে কোন কোন দিন|
অযুত বিতর্কের ফেনা তুলে স্বদেশ আসে|
শহীদের সংখ্যাতত্ত্ব, গণতন্ত্রের সংজ্ঞা, অধর্মনিরপেক্ষতা
অনিয়ন্ত্রিত জনবৃদ্ধি আর অনর্থনীতির ত্রাসে
আমি খেই হারিয়ে ফেলি|
সে কেবল উপলক্ষ বিশেষে আসে কোন কোন দিন|
অযুত বিতর্কের ফেনা তুলে স্বদেশ আসে|
শহীদের সংখ্যাতত্ত্ব, গণতন্ত্রের সংজ্ঞা, অধর্মনিরপেক্ষতা
অনিয়ন্ত্রিত জনবৃদ্ধি আর অনর্থনীতির ত্রাসে
আমি খেই হারিয়ে ফেলি|
আমার ধর্ম আমাকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে নামিয়েছে|
আমার জন্ম পরিচয় আমাকে সংকুচিত করে|
আমার হৃদয় দুর্বৃত্তের হাতে ভাঙা মূর্তির মত
শূণ্য মন্ডপে কিংকর্তব্যবিমূঢ়!
আমার স্বদেশ কোথায় থাকে?
অথবা কোথায় ছিল যখন আমার বাপ-ঠাকুরদার ভিটেমাটি
শত্রুসম্পত্তি হল? স্বভূমে বনবাসী হল যারা
অথবা স্বগৃহে গৃহবন্দী- তাদের কি বলে সান্ত্বনা দিই?
কি বলে বোঝাই বল- তারা আজ কারো কেউ নয়!
আমার জন্ম পরিচয় আমাকে সংকুচিত করে|
আমার হৃদয় দুর্বৃত্তের হাতে ভাঙা মূর্তির মত
শূণ্য মন্ডপে কিংকর্তব্যবিমূঢ়!
আমার স্বদেশ কোথায় থাকে?
অথবা কোথায় ছিল যখন আমার বাপ-ঠাকুরদার ভিটেমাটি
শত্রুসম্পত্তি হল? স্বভূমে বনবাসী হল যারা
অথবা স্বগৃহে গৃহবন্দী- তাদের কি বলে সান্ত্বনা দিই?
কি বলে বোঝাই বল- তারা আজ কারো কেউ নয়!
যে নৃগোষ্ঠী চল্লিশ শতাংশ থেকে আজ দশেরও নিচে
তাদের আমি আজ কিছুই বলি না|
যে আমায় মারতে আসে তাকে বল না, "মেরো না ওদের"
অথচ তোমরা শুধু আমায় বল, "ভাই সহিষ্ণু হতে হয়!"
এই তোমাদের ভদ্রতা, নম্রতা ও ভব্যতার বিধি
বোঝার পর আর ওপথে চলি না| যদিও দুঃখময়
নাগরিকত্ব আমি পাঁজরে বেঁধেই চলি,
তবুও যাযাবর! সেক্যুলারিজম?
বমির ট্যাবলেট নাকি?
তাদের আমি আজ কিছুই বলি না|
যে আমায় মারতে আসে তাকে বল না, "মেরো না ওদের"
অথচ তোমরা শুধু আমায় বল, "ভাই সহিষ্ণু হতে হয়!"
এই তোমাদের ভদ্রতা, নম্রতা ও ভব্যতার বিধি
বোঝার পর আর ওপথে চলি না| যদিও দুঃখময়
নাগরিকত্ব আমি পাঁজরে বেঁধেই চলি,
তবুও যাযাবর! সেক্যুলারিজম?
বমির ট্যাবলেট নাকি?
কন্ঠের স্বর পুড়ে গেছে তাই এসব লিখছি বসে|
এক ত্রিখন্ডিত ভারতাকাশের নিচে শোকাচ্ছন্না রাত্রিতে
বসে একটি অনালোকিত দিনের প্রতীক্ষায়-
একটি এশিয়া কাপ ও কিছু জিঘাংসার মন্ত্রপূত বিষ
কাল পদ্মা ও গঙ্গা নেবে বয়ে!
এক ত্রিখন্ডিত ভারতাকাশের নিচে শোকাচ্ছন্না রাত্রিতে
বসে একটি অনালোকিত দিনের প্রতীক্ষায়-
একটি এশিয়া কাপ ও কিছু জিঘাংসার মন্ত্রপূত বিষ
কাল পদ্মা ও গঙ্গা নেবে বয়ে!
রেশনালিটি তুঙ্গে থাক|
নেশনালিটি গর্জে উঠুক মানবজাতির হয়ে
অন্তত আমাদের ঘুমের ভেতর!
নেশনালিটি গর্জে উঠুক মানবজাতির হয়ে
অন্তত আমাদের ঘুমের ভেতর!
______
গতকাল রাত তিনটা।
কবিতাটি ১৮০ বার পঠিত হয়েছে।
প্রকাশের সময়:০৬/০৩/২০১৬, ১৫:৩৪ মি:
প্রকাশের সময়:০৬/০৩/২০১৬, ১৫:৩৪ মি:
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন